সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
Title :
বণ্টন মামলায় পৃথক স্বত্ব ঘোষণার মামলা ছাড়াই স্বত্বের প্রশ্ন নির্ধারণ করা যায়: হাইকোর্ট বিচার্য বিষয় বা Fact in Issue কী? মামলার সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে যে প্রশ্ন সংবিধানে আসছে মৌলিক পরিবর্তন: জানুয়ারিতে বিল পাসের পর হবে গণভোট। আয়কর রিটার্নে তথ্য গোপন: কী বলছে আইন, কী হতে পারে শাস্তি? একাধিক মামলার সাজা একসঙ্গে চলবে না আদালতের নির্দেশ ছাড়া: হাইকোর্ট বিকাশ-রবি-বাংলালিংকসহ পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন শাখাহীন ব্যাংকিংয়ের নতুন যুগের পথে বাংলাদেশ ‘র’ এজেন্ট সন্দেহে ভারতীয় নাগরিক রিমান্ডে: আইনি প্রক্রিয়া, কূটনৈতিক অধিকার এবং আইনি বিশ্লেষণ দেশে বিচারকের স্বল্পতা একটি সুপরিচিত বাস্তবতা: অ্যাটর্নি জেনারেল সরকারি কমিটিতে বড় রদবদল: বাদ পড়ছেন আওয়ামীপন্থীরা, যুক্ত হচ্ছেন নারীসহ ৩ স্থানীয় প্রতিনিধি গাইবান্ধা আদালতে চাঞ্চল্যকর জালিয়াতি: বিচারকের অনুপস্থিতিতে ভুয়া জামিনের রিকল তৈরি করে থানায় জমা দেওয়ার আভিযোগ 

বণ্টন মামলায় পৃথক স্বত্ব ঘোষণার মামলা ছাড়াই স্বত্বের প্রশ্ন নির্ধারণ করা যায়: হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

বণ্টন মামলায় পৃথক স্বত্ব ঘোষণার মামলা ছাড়াই স্বত্বের প্রশ্ন নির্ধারণ করা যায়: হাইকোর্ট
নিউজ ডেস্ক, আদালত বার্তাঃ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যৌথ সম্পত্তির বণ্টন মামলায় কোনো অংশের মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলেও, সেই স্বত্বের প্রশ্ন নিষ্পত্তির জন্য সব ক্ষেত্রে পৃথকভাবে স্বত্ব ঘোষণার মামলা করার প্রয়োজন নেই। বণ্টন মামলার মধ্যেই প্রয়োজনীয় স্বত্বের প্রশ্ন নির্ধারণ করতে পারেন আদালত।
একটি ১.৩১ একর জমি নিয়ে বিরোধের মামলায় এমন গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ। একই সঙ্গে আদালত বলেছেন, এসএ বা আরএস খতিয়ানে কারও নাম থাকলেই তার স্বত্ব চূড়ান্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় না। বৈধ ও নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত স্বত্বের বিপরীতে শুধু খতিয়ানের রেকর্ডকে প্রাধান্য দেওয়া যায় না।
বিচারপতি শেখ আবদুল আওয়াল ও বিচারপতি এ. কে. এম. রাবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চ Azahar Uddin Bhuiyan, being dead, his legal heirs vs. Chandraban Bibi and others (First Appeal No. 312 of 2018) মামলায় গত ২৫ আগস্ট ২০২৬ এই রায় দেন। রায়টি প্রকাশিত হয় ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
মামলার পটভূমি
বরিশালের যুগ্ম জেলা জজ, প্রথম আদালতে Title Suit No. 51 of 2007 মামলাটি ১.৩১ একর জমি বণ্টনের দাবিতে দায়ের করা হয়।
বাদীদের দাবি ছিল, পূর্ববর্তী মালিকদের কাছ থেকে ধারাবাহিকভাবে তারা বিতর্কিত জমির স্বত্ব অর্জন করেছেন। তাঁদের স্বত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি ছিল ১৩ জুন ১৯৩৯ তারিখের নিবন্ধিত কবুলিয়ত দলিল নং ১৯৯৯।
তবে পরবর্তী এসএ খতিয়ানে ১.৩১ একর জমির মধ্যে ১.০৫ একর বাদীদের পক্ষে এবং অবশিষ্ট ০.২৬ একর বিবাদীদের নামে রেকর্ড হয়।
বাদীদের বক্তব্য ছিল, ০.২৬ একর জমি ভুলভাবে বিবাদীদের নামে রেকর্ড হলেও তারা দীর্ঘদিন ধরে পুরো ১.৩১ একর জমি যৌথভাবে ভোগদখল করে আসছেন।
অন্যদিকে বিবাদীদের দাবি ছিল, ০.২৬ একর জমির মালিকানা নিয়ে জটিল বিরোধ রয়েছে। ফলে পৃথকভাবে স্বত্ব ঘোষণার প্রার্থনা না করে শুধু বণ্টনের মামলা করে ওই অংশ দাবি করা যায় না।
ট্রায়াল কোর্টের সিদ্ধান্ত
মামলার শুনানি শেষে বরিশালের যুগ্ম জেলা জজ, প্রথম আদালত, ১৩ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মামলাটি আংশিকভাবে মঞ্জুর করেন।
আদালত ১.০৫ একর জমির ক্ষেত্রে বাদীদের পক্ষে বণ্টনের ডিক্রি দিলেও ০.২৬ একর জমির দাবি গ্রহণ করেননি। ওই অংশের স্বত্ব নিয়ে বিরোধ থাকায় পৃথক স্বত্ব ঘোষণার প্রার্থনা ছাড়া বণ্টনের দাবি করা হয়েছে—এটিই ছিল সিদ্ধান্তের অন্যতম ভিত্তি।
এর বিরুদ্ধে বাদীরা হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করেন।
হাইকোর্টে যে প্রশ্নগুলো ওঠে
আপিলের শুনানিতে হাইকোর্ট মূলত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বিবেচনা করেন—
প্রথমত, পৃথক স্বত্ব ঘোষণার প্রার্থনা না থাকলেও বণ্টন মামলার মধ্যেই ০.২৬ একর জমির স্বত্বের প্রশ্ন নির্ধারণ করা যায় কি না।
দ্বিতীয়ত, দেওয়ানি কার্যবিধির Order VII Rule 3 অনুসারে সম্পত্তির বিবরণ যথেষ্ট স্পষ্ট না হলে বণ্টন মামলা বাধাগ্রস্ত হবে কি না।
তৃতীয়ত, বাদীরা পুরো ১.৩১ একর জমির ওপর তাঁদের স্বত্ব ও বণ্টনের অধিকার প্রমাণ করতে পেরেছেন কি না।
বণ্টন মামলাতেই স্বত্বের প্রশ্ন নির্ধারণ করা যায়
হাইকোর্ট বলেন, বণ্টন মামলায় কোনো যৌথ সম্পত্তিতে অংশীদারদের স্বত্ব নির্ধারণের প্রয়োজন হলে সেই প্রশ্ন একই মামলার মধ্যেই নিষ্পত্তি করা যেতে পারে।
অর্থাৎ, যৌথ সম্পত্তিতে কার কতটুকু অংশ রয়েছে তা নির্ধারণের সময় স্বত্বের আনুষঙ্গিক প্রশ্ন উঠলে তার জন্য সবসময় আলাদা স্বত্ব ঘোষণার মামলা দায়ের করা বাধ্যতামূলক নয়।
এ বিষয়ে আদালত Cinmoy Chowdhury vs. Mridul Chowdhury, 55 DLR (AD) 115 মামলার নীতি অনুসরণ করেন।
ফলে ০.২৬ একর জমির জন্য আলাদা স্বত্ব ঘোষণার মামলা না করায় বাদীদের বণ্টন মামলা অগ্রহণযোগ্য হয়ে যায়নি বলে হাইকোর্ট মত দেন।
খতিয়ান স্বত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
রায়ে হাইকোর্ট স্পষ্ট করেন, খতিয়ান মূলত জমির রেকর্ড; এটি নিজে থেকে কারও স্বত্ব সৃষ্টি বা বিলুপ্ত করে না।
আদালত দেখতে পান, বাদীদের স্বত্বের ধারাবাহিকতা ১৯৩৯ সালের নিবন্ধিত কবুলিয়ত দলিল দ্বারা সমর্থিত। অপরদিকে এসএ খতিয়ানে ০.২৬ একর জমি বিবাদীদের নামে রেকর্ড থাকার বিষয়টি বাদীদের স্বত্বকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করে না।
আদালতের মতে, নিবন্ধিত দলিলসহ স্বত্বের পক্ষে থাকা অন্যান্য প্রমাণ যথাযথভাবে বিবেচনা না করে শুধু খতিয়ানের রেকর্ডের ভিত্তিতে স্বত্ব নির্ধারণ করা সমীচীন নয়।
জমি শনাক্ত করা গেলে Order VII Rule 3 বাধা নয়
দেওয়ানি কার্যবিধির Order VII Rule 3 অনুযায়ী, মামলার তফসিলে স্থাবর সম্পত্তির এমন বিবরণ থাকতে হবে, যাতে সম্পত্তিটি স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা যায় এবং ভবিষ্যতে ডিক্রি কার্যকর করতে অসুবিধা না হয়।
হাইকোর্ট দেখতে পান, মামলার তফসিলে ১.৩১ একর জমি সিএস দাগ নম্বর ও সীমানাসহ উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে জমিটি শনাক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল।
আদালত বলেন, যৌথ সম্পত্তির বণ্টন মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেওয়ার সময় প্রতিটি অংশের পৃথক ভৌত সীমানা নির্ধারণ করা অপরিহার্য নয়। চূড়ান্ত বণ্টনের সময় অ্যাডভোকেট কমিশনারের মাধ্যমে জমি পরিমাপ করে অংশ নির্ধারণ করা যেতে পারে।
১৯৩৯ সালের নিবন্ধিত দলিলের গুরুত্ব
মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ ছিল ১৩ জুন ১৯৩৯ তারিখের নিবন্ধিত কবুলিয়ত দলিল নং ১৯৯৯।
হাইকোর্ট লক্ষ্য করেন, ট্রায়াল কোর্টও দলিলটিকে প্রকৃত ও বৈধ হিসেবে গ্রহণ করেছিল। কিন্তু বিবাদীরা দলিলটি বাতিল বা অকার্যকর ঘোষণার জন্য কোনো পৃথক মামলা করেনি।
এ প্রসঙ্গে আদালত Specific Relief Act, 1877-এর Section 31 এবং Evidence Act, 1872-এর Section 90-এর বিধান বিবেচনায় নেন।
আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের পুরোনো ও যথাযথ হেফাজত থেকে উপস্থাপিত দলিলের ক্ষেত্রে আইনে সত্যতা সম্পর্কে অনুমানের সুযোগ রয়েছে।
শুধু মৌখিক আপত্তির ভিত্তিতে এমন একটি নিবন্ধিত ও অচ্যালেঞ্জড দলিলকে অকার্যকর হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
সহ-শরিকের দখল সাধারণত সবার দখল
রায়ে হাইকোর্ট আরও বলেন, যৌথ সম্পত্তিতে একজন সহ-শরিক দখলে থাকলে সাধারণভাবে সেই দখল সব সহ-শরিকের পক্ষের দখল হিসেবে বিবেচিত হয়।
অন্য সহ-শরিককে সম্পূর্ণভাবে বেদখল করা হয়েছে বা তাঁর অধিকার অস্বীকার করে পৃথক দখল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে—এমন ouster প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত একজন সহ-শরিকের দখলের কারণে অন্য সহ-শরিকের অধিকার নষ্ট হয় না।
এই মামলায় বিবাদীপক্ষ বাদীদের সম্পূর্ণ বেদখলের বিষয়টি প্রমাণ করতে পারেনি। বরং বিবাদীপক্ষের সাক্ষীদের বক্তব্যেও বাদীদের দখলের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
সাক্ষীর স্বীকারোক্তিও গুরুত্বপূর্ণ
সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে হাইকোর্ট দেখতে পান, বিবাদীপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দিতে বাদীদের দখলের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বীকারোক্তি রয়েছে।
আদালতের বিবেচনায়, কোনো পক্ষের নিজের বক্তব্য বা সাক্ষ্যের মাধ্যমে কোনো বিষয় স্বীকার করা হলে তা সেই পক্ষের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
ট্রায়াল কোর্টের সিদ্ধান্ত সংশোধন
সামগ্রিক প্রমাণ ও আইনি অবস্থান পর্যালোচনা করে হাইকোর্ট মনে করেন, ০.২৬ একর জমির বিষয়ে ট্রায়াল কোর্ট আইনের যথাযথ প্রয়োগ করেনি।
বিশেষ করে এসএ খতিয়ানে বিবাদীদের নাম থাকার বিষয়টিকে ১৯৩৯ সালের নিবন্ধিত কবুলিয়ত দলিলের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া সঠিক হয়নি বলে হাইকোর্ট মত দেন।
আদালতের মতে, বাদীদের স্বত্বের ধারাবাহিকতা, নিবন্ধিত দলিল, দখল এবং সাক্ষ্যপ্রমাণ একত্রে বিবেচনা করলে পুরো ১.৩১ একর জমির ওপর তাঁদের বণ্টনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
হাইকোর্টের চূড়ান্ত আদেশ
হাইকোর্ট বিভাগ First Appeal No. 312 of 2018 মঞ্জুর করেন।
ট্রায়াল কোর্টের ১৩ অক্টোবর ২০১৫ তারিখের রায় ও ডিক্রি সংশোধন করে পুরো ১.৩১ একর জমির বিষয়ে বাদীদের পক্ষে প্রাথমিক বণ্টন ডিক্রি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
রায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী—
বাদীরা পুরো ১.৩১ একর জমিতে তাঁদের আইনগত অংশ অনুযায়ী পৃথক সাহাম পাওয়ার অধিকারী;
পক্ষগুলোকে ৪৫ দিনের মধ্যে নিজেদের মধ্যে জমি ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়;
৪৫ দিনের মধ্যে পারস্পরিকভাবে বণ্টন সম্ভব না হলে যে কোনো পক্ষ ট্রায়াল কোর্টে অ্যাডভোকেট কমিশনার নিয়োগের আবেদন করতে পারবেন;
কমিশনার সরেজমিনে জমি পরিমাপ করে প্রত্যেক পক্ষের প্রাপ্য অংশ নির্ধারণ করবেন;
এরপর সেই ভিত্তিতে চূড়ান্ত ডিক্রি প্রস্তুত করা হবে।
আদালত আপিলটি বিবাদী ১-৭ নম্বরের বিরুদ্ধে শুনানি করে এবং অন্যদের বিরুদ্ধে একতরফাভাবে মঞ্জুর করেন। মামলায় কোনো খরচ আরোপ করা হয়নি।
রায়ের আইনি তাৎপর্য
হাইকোর্টের এই রায়ে যৌথ সম্পত্তির বণ্টন সংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি পুনরায় স্পষ্ট হয়েছে।
১. খতিয়ান নিজে থেকে স্বত্ব সৃষ্টি বা বিলুপ্ত করে না এবং তা সব ক্ষেত্রে স্বত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়।
২. বণ্টন মামলার প্রয়োজনেই স্বত্বের কোনো আনুষঙ্গিক প্রশ্ন উঠলে, একই মামলায় সেই প্রশ্নের নিষ্পত্তি করা যেতে পারে।
৩. সম্পত্তি দাগ, তফসিল ও সীমানার মাধ্যমে যথেষ্টভাবে শনাক্ত করা গেলে শুধু Order VII Rule 3-এর ভিত্তিতে বণ্টন মামলা ব্যর্থ হবে না।
৪. দীর্ঘদিনের পুরোনো ও অচ্যালেঞ্জড নিবন্ধিত দলিলের প্রমাণমূল্য রয়েছে; শুধু মৌখিক বক্তব্যের ভিত্তিতে তা অকার্যকর করা যায় না।
৫. যৌথ সম্পত্তিতে একজন সহ-শরিকের দখল সাধারণত অন্য সহ-শরিকের অধিকার নষ্ট করে না; সম্পূর্ণ বেদখল বা ouster প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য নজির
রায়ে আদালত বিভিন্ন পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের নীতির ওপর নির্ভর করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে—
Cinmoy Chowdhury vs. Mridul Chowdhury, 55 DLR (AD) 115;
Sanjib Kumar Bose vs. Syed Shamsuddin Ahmed, 33 DLR (AD) 34;
Abdul Mannan Bhuiyan vs. Md. Nasir Hossain, 18 BLD (AD) 44;
Hachina Begum vs. Abdul Mannan, 30 BLD 628;
Guru Charan Mondol vs. Sree Bhaba Sindhu Sarkar, 13 MLR (AD).
যৌথ সম্পত্তির বণ্টন মামলায় স্বত্বের প্রশ্ন দেখা দিলেই পৃথক স্বত্ব ঘোষণার মামলা অপরিহার্য—এমন সাধারণ নিয়ম নেই। মামলার প্রকৃতি, পক্ষদের দাবি, প্রমাণ এবং প্রয়োজনীয় স্বত্বের প্রশ্নের ভিত্তিতে একই বণ্টন মামলায় আদালত তা নির্ধারণ করতে পারেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট