1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
১৮ বছর আগে বরখাস্ত ৩২৮ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ - আদালত বার্তা
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ আর নেই জঙ্গল সলিমপুরে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের রক্তচক্ষু যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ, সরকারি স্থাপনা ভাঙচুর, পাহাড় কেটে রাস্তা বিচ্ছিন্ন, বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা, ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০০/৩০০ সন্ত্রাসী আসামী। বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু, উড়ে গেছে শরীর সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির অগ্রগতি আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি অদৃশ্য এক অন্ধকার জালও বিস্তার করেছে। ১৯ বছরে বিচার: শাজনীন হত্যা মামলায় ৬ আসামির মধ্যে ফাঁসি কার্যকর মাত্র ১ জনের আসামী পক্ষে আইনজীবী ছাড়া বাংলাদেশের আইনে বর্ণিত সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা যায় না। সাইবার সুরক্ষা আইনে মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয় সংগীত অবমাননাকারীদের দায়মুক্তি কুর্মিটোলা হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে প্রজ্ঞাপন জারি রেকর্ড অব রাইট (খতিয়ান) ও মালিকানা স্বত্ব: হাই কোর্টের যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত মেট্রো রেলের ভাড়ায় ২৫% ছাড়ের সিদ্ধান্ত, পাবেন যারা

১৮ বছর আগে বরখাস্ত ৩২৮ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৭১ বার পড়া হয়েছে

১৮ বছর আগে বরখাস্ত ৩২৮ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে পুনর্বহালের নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা : আগস্ট ১৮, ২০২৫

১৮ বছর আগে বরখাস্ত ৩২৮ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। রায়ে তাদের চাকরির সব সুযোগ-সুবিধা ফেরত দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) এ বিষয়ে আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তার পর্যবেক্ষণে বলেছে, এই বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ছিল অসাংবিধানিক এবং নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌম ক্ষমতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ। একটি সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে সরকারের হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই।

 ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়, দেশের বিভিন্ন উপজেলা নির্বাচন অফিসে কর্মরত ৩২৮ জন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়। অভিযোগ ছিল, তারা দায়িত্ব পালনে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্ব করেছেন।

তবে দীর্ঘ সময়েও এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা সেই সময় থেকেই আইনি লড়াই চালিয়ে আসছিলেন।

তৎকালীন বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন। আদালত বলেন, এই কর্মকর্তারা কোনো ধরনের নিয়ম ভঙ্গ করেননি। তৎকালীন সময়ে প্রশাসনিকভাবে যেভাবে তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল, তা ছিল অবৈধ ও অন্যায়।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, ওই বরখাস্ত আদেশে কোনো নিয়ম মানা হয়নি এবং বিষয়টি ছিল রাজনৈতিক প্রভাবিত ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার।

এখন যারা জীবিত আছেন, তাদের চাকরিতে পুনর্বহারের পাশাপাশি বকেয়া বেতন-ভাতা, পেনশনসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও ফিরিয়ে দিতে হবে। আর যাদের মৃত্যু হয়েছে, তাদের পরিবারবর্গকে ওইসব সুবিধা পরিশোধ করতে হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট