বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
Title :
বিচারপতি আশফাকুল ইসলামের বিদায়ী ভাষণে বলেন — “বিচারকের পদ থেকে অবসর নেওয়া যায়, কিন্তু ন্যায়বিচারের আদর্শ থেকে নয়।” শর্টকাটের প্রজন্ম নাকি সংগ্রামের ভবিষ্যৎ? বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ মাসে গড়ে দুই মামলা নিস্পত্তির লক্ষ্য নির্ধারণ কর মামলায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে ঝুঁকছে এনবিআর দেনমোহর আদায়ের নীতিমালা তৈরি করতে হাইকোর্টের রুল চট্টগ্রামে দাফনের মাটিটুকুও গিলে খেয়েছে বন্যা পানিতে ভাসছে অবুঝ শিশু থেকে গবাদিপশু নারী মরদেহের পোস্টমর্টেমে নারী ডোম নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট ত্রাণ বিতরণে বিশৃঙ্খলা: বাস্তবতার স্বীকারোক্তি, নাকি প্রশাসনিক ব্যর্থতার গ্রহণযোগ্যতা? বিক্ষোভে উত্তাল নেপাল, তোপের মুখে বালেন্দ্র শাহ UD Case মানেই হত্যা নয়: অপমৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে আইনের প্রাথমিক অনুসন্ধান প্রক্রিয়া গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির নেতৃত্বে সুব্রত-তারিক

ক্যাম্পাসে জাবি ছাত্রীকে যৌন হেনস্তা পুলিশের, সঙ্গে অবৈধ সামগ্রী

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১২ জুন, ২০২৩
  • ৪২৬ বার পড়া হয়েছে

ক্যাম্পাসে জাবি ছাত্রীকে যৌন হেনস্তা পুলিশের, সঙ্গে অবৈধ সামগ্রী

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা :: ১২ জুন ২০২৩

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে এক ছাত্রীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগে এক পুলিশ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। রোববার (১১ জুন) রাত সোয়া ১০টার দিকে বোটানিক্যাল গার্ডেনের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তার কাছে অবৈধ ওয়াকিটকি ও হ্যান্ডকাফ পাওয়া গেছে।
আটক পুলিশ সদস্যের নাম মো. মেহমুদ হারুন। তিনি নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে কনস্টেবল পদে কর্মরত রয়েছেন। সাভারের রাজাশন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা তিনি।
ভুক্তভোগী ছাত্রী জানান, রাতে ঘুমানোর আগে রোববার রাতে তিনি হল থেকে হাঁটতে বের হন। সোয়া ১০টার দিকে বোটানিক্যাল গার্ডেনের সামনে পুলিশ সদস্য ও বিদ্যুৎ চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি তার পথ আটকান। এ সময় তাঁকে বাজে প্রস্তাব দেন ও যৌন হেনস্তা করেন। একপর্যায়ে তিনি ফোনে বিষয়টি বন্ধুদের জানান। তারা এসে হারুনকে আটক করে মারধর করেন। তবে সঙ্গে থাকা ব্যক্তিটি পালিয়ে যান।
মেহমুদ হারুন বলেন, ছুটিতে বাড়িতে এসে জাবিতে ঘুরতে এসেছিলেন। সঙ্গে এলাকার ছোট ভাই ছিল। তিনি কিছু করেননি, শুধু ফোন নম্বর চেয়েছিলেম। সবকিছু সঙ্গে থাকা ছোট ভাই করেছে।
জানা গেছে, রাতেই হারুনকে আটক করতে আসে আশুলিয়া থানা–পুলিশ। এ সময় উপপরিদর্শক (এসআই) আবজালনুরের সঙ্গে জাবির নিরাপত্তা শাখার প্রধান সুদীপ্ত শাহীনের কথা-কাটাকাটি হয়। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, আবজালনুর উদ্ধত আচরণ করেন ও জাবিকে হেয় করে কথা বলেন।
পরে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে এসআই চলে যান। এ সময় পুলিশ সদস্যের ছোট ভাই পরিচয়ে ৪৭তম ব্যাচের বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা ইমরুল হাসান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান। শিক্ষার্থীদের কুপিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিতে শোনা যায় তাকে।
রাত সাড়ে ১২টার দিকে ক্যাম্পাসে আসেন আশুলিয়া থানার ওসি কামরুজ্জামান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তার সঙ্গে উদ্ধৃত আচরণ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে হেয় করে কথা বলায় আবজালনুরকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আটক হারুন পুলিশের সদস্য। তার কাছে যে হ্যান্ডকাফ ও ওয়াকিটকি ছিল, তা অবৈধ। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতেও মামলা হবে।
জাবির সহকারী প্রক্টর মওদুদ আহমেদ বলেন, অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন বাদী হয়ে মামলা করবে। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী ইমরুল যাতে হলে থাকতে না পারে, সে বিষয়ে হল প্রশাসন অবিহিত করা হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews