শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
Title :
হিমালয়ের বিপর্যয়: নেপালের আকস্মিক বন্যা দক্ষিণ এশিয়ার জন্য এক চূড়ান্ত সতর্কবার্তা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাড়ছে ‘ক্যাসকেডিং হ্যাজার্ড’, চরম ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ ভাটির দেশগুলো বিচারক-গাড়িচালকের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ কাপ্তাই হ্রদে জেলেদের প্রাণরক্ষায় ৬৬ বজ্র নিরোধক নিরাপত্তার নতুন উদ্যোগ, তবে প্রয়োজন আগাম সতর্কবার্তাও বাংলাদেশে ঢুকবে নেপালের পাহাড়ি ঢল, দেওয়া হলো পানির গতিপথ নেপালে হঠাৎ প্রলয়ংকরী বন্যা: বৃষ্টি ছাড়াই ধ্বংসযজ্ঞের নেপথ্যে কী? জীবনের অমোঘ চক্র: দোলনা থেকে শূন্যতায় ফেরার এক নিখুঁত প্রতিচ্ছবি এআই দিয়ে ভুলেও যে ১১টি কাজ করবেন না প্রযুক্তির সুবিধার পাশাপাশি রয়েছে গুরুতর ঝুঁকি, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রয়োজন মানবিক বিবেচনা ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রশ্ন করা সাংবাদিকের পেশাগত অধিকার: রাজনৈতিক মতাদর্শ ফৌজদারি অপরাধ নয় বাংলাদেশ কি সত্যিই গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হতে পেরেছে?  রাজনৈতিক বিভাজন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও প্রতিহিংসার রাজনীতির অন্তরালে সংকট—উত্তরণের পথ কোনটি? ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.): মহানবীর জীবনাদর্শে শান্তি, মানবতা ও ন্যায়ের আহ্বান

খাগড়াছড়ি – রাঙ্গামাটি – বান্দরবান – টেকনাফ সীমান্ত সড়ক 

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৫১৩ বার পড়া হয়েছে

খাগড়াছড়ি – রাঙ্গামাটি – বান্দরবান – টেকনাফ সীমান্ত সড়ক

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক আদালত বার্তাঃ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।

নীলাকাশে সাদা মেঘের ভেলা, তার নিচে সবুজ শ্যামল পাহাড়। একাকার আকাশ, মেঘ আর পাহাড়। আকাশে হেলান দিয়ে ঘুমন্ত সেই পাহাড়ের বুক চিঁড়ে চলে গেছে পাহাড়ী ঝিরি আর ঝর্ণা। অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি পার্বত্য তিন জেলা। এত সৌন্দর্য থাকার পরও নিরবিচ্ছিন্ন সড়কের অভাবে পর্যটন থেকে শুরু করে শিক্ষা, চিকিৎসাসহ সকল মৌলিক এবং নাগরিক সুবিধা পেতে বেগ পেতে হয় এ অঞ্চলের মানুষের। পার্বত্যাঞ্চলের খাগড়াছড়ির সাথে ভারতের, বান্দরবানের সাথে মিয়ানমারের এবং রাঙ্গামাটির সাথে উভয় দেশের সীমান্ত সংযোগ। ভূ-রাজনৈতিক এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এ তিনটি জেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ সড়ক খাগড়াছড়ির রামগড়ের ফেনী নদীরকূল হয়ে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক-বড়কল-বিলাইছড়ি হয়ে বান্দরবানের রুমা-থানচি-আলীকদম-নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুনধুম টেকনাফে শেষ হবে। ( ভিডিও করা হয়েছে সাজেক টু উদয়পুরের অংশ )

পার্বত্য চট্টগ্রামে সীমান্ত সড়ক ও সংযোগ সড়কসহ প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য ১০৩৬ কিলোমিটার। একনেক কর্তৃক প্রথম পর্যায়ে অনুমোদিত ৩১৭ কিলোমিটারের মধ্যে ১৭৩ কিলোমিটার সড়ক বর্তমানে যান চলাচলের উপযোগী। ১৪৪ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ ২০২৪ এর মধ্যে সম্পন্ন হবে। বাকী ৭১৯ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ কাজ শেষ হবে আগামী ১০ বছরের মধ্যে।

এর ফলে পর্যটন ক্ষেত্রে এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বর্ডার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এই সড়ক।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট