সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
Title :
ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার রায় যেকোনো দিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা র‍্যাব বিলুপ্ত, পুলিশের অধীনে নতুন বাহিনী এসআরবি চূড়ান্ত অনুমোদন মন্ত্রিসভায়—বদলাবে কাঠামো, থাকবে বিশেষ অভিযান ও তদন্তের ক্ষমতা যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতাদের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া আজই শেষ হতে পারে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরতে হবে: আলবার্টার প্রিমিয়ার ২০২৭ সালের সম্ভাব্য রমজান ও ঈদুল ফিতরের সময়সূচি প্রকাশ শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে চমকপ্রদ তথ্য কিছু হলেই আওয়ামী লীগকে পেটাতে হবে, এই জুলুম বন্ধ করেন ভাই: ফাহাম সরকারি প্রকল্পে রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে ঠিকাদারদের তথ্য চেয়েছে এনবিআর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান: দেশপ্রেম, নেতৃত্ব ও মানুষের প্রতি অঙ্গীকার। ধানমন্ডি ৩২-এ ‘রাজনৈতিক সন্দেহে’ সাধারণ মানুষকে মারধরের অভিযোগ, আয়াসকে গ্রেপ্তারের দাবি

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরলে সেটি কী সংসদের ক্ষমতাকে খর্ব করবে, প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৭৯ বার পড়া হয়েছে

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরলে সেটি কী সংসদের ক্ষমতাকে খর্ব করবে, প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ২২ অক্টোবর ২০২৫

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরলে সেটি সংসদের ক্ষমতাকে খর্ব করবে কিনা, এমন প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে আসলে সেটি সংসদের ক্ষমতাকে খর্ব করবে কিনা, এমন প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। বুধবার (২২ অক্টোবর) তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে আপিল বিভাগে দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে এমন প্রশ্ন তুলেন তিনি।

এদিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল চেয়ে বদিউল মজুমদারের আইনজীবী তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিয়ে ১৪তম জাতীয় নির্বাচন থেকে তা কার্যকর চেয়ে আপিল বিভাগে শুনানি শেষ করেন। এ সময় তিনি আপিল বিভাগকে বলেন, হাইকোর্ট থেকে আপিল বিভাগ পর্যন্ত মোট ১২ জন বিচারপতি এ মামলাটি শুনেছেন। কিন্তু এরমধ্যে ৮ জনই তা রাখার পক্ষে মত দেন। এছাড়া সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকসহ ৪ জন তা বাতিল করতে বলেন।

এ সময় আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী জানতে চান, বর্তমান পরিস্থিতিতে যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরে তবে তা যুক্তিযুক্ত হবে কিনা। পরে আইনজীবী শরীফ ভুঁইয়া বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে আপিল বিভাগ একটি গাইডলাইন করে দিক। একপর্যায়ে শুনানি শেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরলে সেটি সংসদের ক্ষমতাকে খর্ব করবে কিনা, এমন প্রশ্ন রেখে প্রধান বিচারপতি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক মামলার আপিল শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্য কোনো মামলার আপিল শুনানি হবে না। এটাই এখন সবচেয়ে বড় মামলা।

১৯৯৬ সালে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়। এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ ৩ আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। পরবর্তীতে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়।

পরবর্তীতে এই রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেয়া হয় এবং ২০০৫ সালে রিট আবেদনকারীরা আপিল দায়ের করেন। এরপর আপিল বিভাগের ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে।

ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপসহ অন্যান্য পরিবর্তন আনা হয় পঞ্চদশ সংশোধনী আইনে, যা ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয় এবং ৩ জুলাই গেজেট প্রকাশ করা হয়।

তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর রায় পুনর্বিবেচনার জন্য সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ ৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি আবেদন করেন। অন্য চারজন হলেন- তোফায়েল আহমেদ, এম. হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া এবং জাহরা রহমান। এরপর ১৬ অক্টোবর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট