শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
Title :
দল -মত নয়, পুলিশের একমাত্র পরিচয় জনগণের সেবক—আইজিপি ভাইয়ের সম্পত্তিতে বোনের উত্তরাধিকার দাবি গ্রহণযোগ্য নয় : হাইকোর্ট আত্মবিশ্বাস ও আত্মপ্রত্যয়: ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের সাফল্য এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মূল শক্তি বাংলাদেশে সেল গঠনের চেষ্টা করছে আল-কায়েদা ভারত উপমহাদেশ শাখা: জাতিসংঘের মনিটরিং টিম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও বাচ্চু রাজাকারের বিচার: পারভেজ হাসেমের মতামত। জুলাই-জুনের বদলে এপ্রিল-মার্চে অর্থবছর পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে সরকার। জামিনপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে আরও ১২ জেলায় ‘ই-বেইল বন্ড’ চালু হঠাৎ আলোচনায় সমকামিতা: বাংলাদেশের প্রচলিত আইন, বিচারিক বাস্তবতা ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিচারকক্ষে মিডিয়ার প্রবেশে বাধা দেওয়া সংবিধান লঙ্ঘন: এলআরএফের অবস্থান কর্মসূচিতে সাংবাদিক নেতারা বাংলাদেশের রাজস্ব আয়-ব্যয়ে আরও স্বচ্ছতা চায় যুক্তরাষ্ট্র

তামিম বাহিনীর বিদায় ফাইনালে শান্ত আর রিয়াদের দল

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০
  • ১১৯৫ বার পড়া হয়েছে

পারলো না তামিম ইকবালের একাদশ। শেষ পর্যন্ত নাজমুল হোসেন শান্ত আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দলই পৌঁছে গেলো ফাইনালে।

বৃষ্টির কারলে ডিএল মেথডে তামিম বাহিনীর টার্গেট ছিল ১৬১; কিন্তু ৪১ ওভারে ওই টার্গেটও ছুঁ’তে পারেনি তামিম একাদশ। ১৫৬ (৪০.৪ ওভারে) রানেই থেমে গেছে তারা।

৭ রানে জিতে রাউন্ড রবিন লিগের চার (ডাবল লেগের) ম্যাচের তিনটিতে জিতে সবার ওপরে থেকে ফাইনালো উঠলো শান্তর দল। অন্যদিকে সমান খেলায় ২ জয়ে রিয়াদ বাহিনীরও ফাইনাল নিশ্চিত হলো। একমাত্র জয় নিয়ে বিদায় নিল তামিম একাদশ।

প্রতিপক্ষ শান্ত বাহিনী অলআউট হয়েছে ১৬৫ রানে। তবে বৃষ্টি আইন ডিএল মেথডে তামিম বাহিনীর টার্গেট দাঁড়ায় ৪১ ওভারে ১৬৪ রান।

৪১ ওভারে ওই লক্ষ্য মানে ওভার পিছু ৪ রানেরও কম। এই হিসাব-নিকাশ সামনে রেখে যেমন ব্যাটিং দরকার ছিল, তা পারেননি তামিম বাহিনীর ব্যাটসমানরা। অধিনায়ক তামিম প্রাণপন চেষ্টা করেছেন দলকে জেতাতে। কিন্তু পারেননি।

শুরুটাই ভাল হয়নি। ১০ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গার পর তরুণ মাহিদুল ইসলাম অংকনকে নিয়ে ভালই এগুচ্ছিলেন তামিম। আগের তিন ম্যাচে (২+৩৩+৯) রান পাননি। আজ তামিম চেষ্টা করেছেন দল জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে।

কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ৮৫ বলে ৫৭ রানে তামিমকে ফিরিয়ে দিয়েছেন আবু জায়েদ রাহী। অফ স্ট্যাম্পের অনেক বাইরের বল মারতে গিয়ে কট বিহাইন্ড হয়েছেন তামিম।

কিন্তু অংকন (৪৫ বলে ২২) আর ইয়াসির আলী রাব্বি (৩৪ বলে ৬) বেশি স্লো ব্যাটিং করায় ওভার পিছু রানের গতি বেড়ে যায়। শেষ দিকে মিঠুন (৩২ বলে ২৯) আর সাইফউদ্দীন (৯ বলে ১০) প্রাণপন চেষ্টা করেও আর পারেননি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট