শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন
Title :
কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার নিজ ফ্ল্যাটে গলা ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত দীর্ঘ অবকাশ শেষে সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু ২৫ অক্টোবর বিজ্ঞ আইনজীবীদের জন্য শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি-জেনারেলের কার্যালয় পাহাড়ের সৌন্দর্যের আড়ালে নিরাপত্তার নেপথ্য প্রহরা বর্ডার পার হওয়ার আগে অবশ্যই পোর্ট ট্যাক্স ও ভ্রমণ কর সঙ্গে রাখবেন সেনাপ্রধানের সেন্ট মার্টিন সফর ঘিরে প্রশ্ন, গভীর সমুদ্রে যাওয়ার খবরের স্বাধীন যাচাই হয়নি চীনা কোম্পানির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব: তিন দশকের ফাইলবন্দি খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পে নতুন গতি ফ্রান্সের অস্থিরতা: গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ কোথায় শেষ, নৈরাজ্য কোথায় শুরু? সৌরবিদ্যুৎ সুরক্ষায় কঠোর শাস্তির বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি: চুরি ও নাশকতায় কারাদণ্ড-অর্থদণ্ড আশুলিয়ায় মরদেহ পোড়ানোর মামলা: রাজসাক্ষী হওয়ায় ক্ষমা পেয়ে কারামুক্ত সাবেক এসআই আবজালুল স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ইসির সময়সূচি জারি নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি ও এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

বিচারকের সই-সিল জাল : আইনজীবীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ২৩৮ বার পড়া হয়েছে

বিচারকের সই-সিল জাল : আইনজীবীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ১৯ জুলাই ২০২৬
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের এক বিচারকের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে বিয়ের হলফনামা (কোর্ট ম্যারেজ) তৈরির অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। আসামিরা হলেন- মো. নয়ন, মোসা. রিমা ও আইনজীবী মো. তরিকুল ইসলাম (তরু) ফরাজী।
রোববার (১৯ জুলাই) সিএমএম আদালতের নেজারত বিভাগের অফিস সহকারী মো. খালিদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১৯ জুলাই সিএমএম আদালতের ১১ নম্বর আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. নয়ন ও ফাহিমা ইসলাম রিয়া নামক দুই ব্যক্তির একটি বিয়ের হলফনামা যাচাই করার নির্দেশ দেন। হলফনামাটি যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, এতে যে স্মারক নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, তা রেজিস্টার খাতায় অন্য এক ব্যক্তির নামে সংরক্ষিত। তদন্তে বেরিয়ে আসে, চক্রটি ১১ নম্বর আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে প্রতারণামূলকভাবে এই বিয়ের হলফনামা তৈরি করেছে। পরবর্তীতে এই জাল হলফনামা ব্যবহার করে বরগুনার আমলী আদালতে একটি মামলা দায়েরের চেষ্টাও করা হয়। তবে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফ হোসাইন জালিয়াতির বিষয়টি বুঝতে পেরে মামলাটি খারিজ করে দেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, আইন অনুযায়ী মুসলিম বিবাহ নিবন্ধনের জন্য কাজীর মাধ্যমে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। কোর্ট ম্যারেজ বা হলফনামার মাধ্যমে বিয়ে আইনত কার্যকর নয় এবং এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে। তা সত্ত্বেও আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে আদালত ও বিচারকের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট