রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
Title :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হৃদয়ে সম্প্রীতির আলোকবর্তিকা: গুরুদুয়ারা নানকশাহী বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা সংস্কারে আরও তহবিল দিচ্ছে সুইডেন ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আইনি লড়াইয়ে এস আলম, ব্রিটিশ উকিলদের এক মাসের বিলই প্রায় ৫ কোটি টাকা বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন ফৌজদারি মামলার তদন্ত কার্যক্রমে গতি আনতে নির্দেশনা জোরদার সপ্তাহে একবারের ইনসুলিন চালু ভারতে, কমবে খরচ ও ইনজেকশনের ঝামেলা সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা করতে চায় সরকার দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৪৬ লাখ ছাড়িয়েছে: সংবিধানের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে বাড়ছে চাপ ধানমন্ডিতে চিকিৎসক ধীপ্রার মৃত্যু: কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ নিজেদের প্রণীত আইনেই মানবতাবিরোধী অভিযোগে বিচারের মুখে আ.লীগ: নিষিদ্ধ ঘোষণার আইনি পথ কতটা বাস্তবসম্মত?

মামলার ডকেট সংরক্ষণে নতুন নীতিমালা: কোর্ট পুলিশের হাতে যাচ্ছে দায়িত্ব

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

মামলার ডকেট সংরক্ষণে নতুন নীতিমালা: কোর্ট পুলিশের হাতে যাচ্ছে দায়িত্ব
নিউজ ডেস্ক, আদালত বার্তা | ৭ জুলাই ২০২৬
আদালতে বিচারাধীন মামলার ডকেট সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে সরকার। এতদিন ধরে আদালতের সেরেস্তা শাখা এই দায়িত্ব পালন করলেও, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে এই দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে কোর্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর।
রোববার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রদান করা হয়। পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্বে জিপি-পিপি শাখা থেকে জারি করা মামলার ডকেট সংরক্ষণ সংক্রান্ত নির্দেশনার সংশ্লিষ্ট দফা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে বিচারাধীন মামলার ডকেট এখন থেকে কোর্ট পুলিশ কর্মকর্তার হেফাজতেই সংরক্ষিত থাকবে।
নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ বা শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখের আগে কেস ডকেট হস্তান্তর এবং কার্যক্রম শেষে তা পুনরায় গ্রহণের ক্ষেত্রে কোর্ট পুলিশ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট পাবলিক প্রসিকিউটরকে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে রেকর্ডপত্র সংরক্ষণে সতর্কতা বজায় রাখা এবং পারস্পরিক সমন্বয় ও সমঝোতার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এতদিন জজ কোর্টে মামলার ডকেট সংরক্ষণ করা হতো সেরেস্তা শাখায়। অন্যদিকে হাইকোর্ট বিভাগে এ দায়িত্ব পালন করত ‘সেকশন’ নামে পরিচিত একটি নির্দিষ্ট শাখা।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নতুন ব্যবস্থাপনা আদালতের নথিপত্র সংরক্ষণে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। তবে এর কার্যকারিতা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্তদের দক্ষতা ও সমন্বয়ের ওপর।
আপনি চাইলে এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত, বিশ্লেষণধর্মী বা সম্পাদকীয় স্টাইলে রূপান্তর করে দিতে পারি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews