রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন
Title :
অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তচিন্তার সংকোচন: রাষ্ট্র, সমাজ ও সংস্কৃতির গভীর সংকট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপ, জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ মানবপাচার দমনে অগ্রগতির স্বীকৃতি, তবু টিয়ার-২ তালিকায় বাংলাদেশ জান্নাতুল তাজমীনের মৃত্যু কি আমাদের বিবেককে জাগাবে? ১৩ সেনা হত্যা: সাবেক মার্কিন মেজর নিদালের মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডে, করা হবে সরাসরি সম্প্রচার ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি স্বাক্ষর: ১৫ বছর এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব পেল আমিরাতের প্রতিষ্ঠান ফ্রিল্যান্সিং খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিপ্লব: টিকে থাকতে ফ্রিল্যান্সারদের করণীয় কী? প্রশিক্ষণ নিতে জাপান যাচ্ছেন ১৭ বিচারক ও ৬ আইনজীবী নস্টালজিয়ার এক ঝলক: পুরান ঢাকায় যখন দাপিয়ে বেড়াত ঐতিহ্যবাহী ‘মুড়ির টিন’ কেন আন্দোলনে যাবো না?’— ১৪ বছরের ইমনের রক্তাক্ত পরিণতির কথা ট্রাইব্যুনালে জানালেন মা

রফতানি পণ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে পাটখাত

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৯১২ বার পড়া হয়েছে
পাট

চামড়াকে ছাড়িয়ে রফতানির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে দেশের পাটখাত। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-আগস্ট ও সেপ্টেম্বর) পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি করে ৩০ দশমিক ৭৫ কোটি ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ।

সোমবার (৫ অক্টোবর) প্রকাশিত রফতানির উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মাসিক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পাট মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাট ও পাটজাতপণ্যের এই রফতানি আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৯ দশমিক ২৬ শতাংশ বেশি। আর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১১ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পাট খাত উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নানামুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ফলে জাতীয় অর্থনীতিতে এ খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বর্তমানে রফতানি বাণিজ্যে চামড়াকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে পাট খাত।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, চলতি পাট মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, পাট চাষ নিশ্চিতে বীজ সরবরাহ সঠিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকার মানসম্মত পাটের উৎপাদন বাড়ানো ও পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে পাট অধিদফতরের আওতায় ‘উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের মার্চ মেয়াদে বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পটি দেশের ৪৬টি জেলার ২৩০টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাটচাষের উন্নত কলাকৌশল সম্পর্কে চাষীরা প্রশিক্ষিত হচ্ছে। এছাড়া গুণগত ও মানসম্মত পাট এবং পাটবীজ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকার কৃষকদের ৩৯০ টন পাটবীজ বিনামূল্যে বিতরণসহ সব ধরনের সহায়তা অব্যহত রেখেছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট