বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
Title :
মানবতাবিরোধী অপরাধে ১০ বছরের সাজা বাতিল চেয়ে আপিল করলেন হাসানুল হক ইনু চাকরিতে অর্জিত অধিকার ও পদোন্নতির যোগ্যতা নতুন বিধিতে বাতিল করা যাবে না: হাইকোর্ট ৩৫ বছর বয়সের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধের উদ্যোগ: আইনমন্ত্রী ছয় দশকে বদলে গেছে চারপাশ, রয়ে গেছে এরোপ্লেন মসজিদের ঐতিহ্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের নির্দেশ হাইকোর্টের কারাগারে বন্দি মায়ের সঙ্গে ৩০৩ শিশু: হাইকোর্টে প্রতিবেদন ​শিশুদের নিকটাত্মীয় বা সরকারি শিশু পরিবারে রাখার সুপারিশ প্রমাণ ছাড়া শুধু পলাতক থাকলেই সাজা নয়: হাইকোর্ট সন্ত্রাসবিরোধী ও সাইবার আইনের মামলায় সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে সত্যতা মেলেনি: স্পিকার আইনজীবীদের আটক নিয়ে উত্তাল সুপ্রিম কোর্ট চত্বর, প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপে মিলল মুক্তি

সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির অগ্রগতি আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি অদৃশ্য এক অন্ধকার জালও বিস্তার করেছে।

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ২২৯ বার পড়া হয়েছে

সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির অগ্রগতি আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি অদৃশ্য এক অন্ধকার জালও বিস্তার করেছে।

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক, সম্পাদক, আদালত বার্তাঃ২৫ মে ২০২৬।

ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও গুপ্ত ধোঁকাবাজির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকা এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। 

সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির অগ্রগতি আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি অদৃশ্য এক অন্ধকার জালও বিস্তার করেছে—যার নাম ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার ও গোপন প্রতারণা। আজকের সমাজে সত্য যেন ক্রমেই আড়াল হয়ে যাচ্ছে, আর মিথ্যার কারিগররা নীরবে, নিঃশব্দে তাদের জাল বিস্তার করে চলেছে।
একটি গুজব—যার কোনো ভিত্তি নেই, কোনো প্রমাণ নেই—তবুও তা মানুষের মনে ভয়, সন্দেহ ও বিভ্রান্তির বীজ বপন করে। এই গুজবই ধীরে ধীরে রূপ নেয় অপপ্রচারে, আর অপপ্রচারই জন্ম দেয় অবিশ্বাসের। একসময় দেখা যায়, মানুষ মানুষকে আর বিশ্বাস করতে পারছে না; সমাজে নেমে আসে এক ধরনের নীরব ভাঙন।
ষড়যন্ত্রকারীরা কখনো সামনে আসে না। তারা থাকে পর্দার আড়ালে, অচেনা পরিচয়ে, ভুয়া তথ্যের ছদ্মবেশে। তারা জানে, সরাসরি আঘাতের চেয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই তারা বেছে নেয় ছবি বিকৃতি, মিথ্যা সংবাদ, আংশিক সত্য এবং আবেগকে উসকে দেওয়ার কৌশল। তাদের লক্ষ্য একটাই—সমাজকে বিভক্ত করা, মানুষের মধ্যে সন্দেহ ও ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া।
এই নীরব আক্রমণের সবচেয়ে করুণ দিক হলো—আমরা অনেক সময় নিজেরাই এর বাহক হয়ে উঠি। যাচাই না করেই কোনো খবর শেয়ার করি, না ভেবেই কারও বিরুদ্ধে মন্তব্য করি। অজান্তেই আমরা মিথ্যার স্রোতে ভেসে যাই এবং সত্যকে আরও দূরে ঠেলে দিই।
ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কেবল ব্যক্তি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় একটি জাতির বিশ্বাস, ঐক্য ও স্থিতিশীলতা। ধীরে ধীরে সমাজে ছড়িয়ে পড়ে অনিশ্চয়তা, ভয় এবং অবিশ্বাসের অন্ধকার।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো সচেতনতা ও সতর্কতা।
আমাদের শিখতে হবে—
সত্য যাচাই করতে,
গুজব থেকে দূরে থাকতে,
এবং মিথ্যার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে।
প্রত্যেক নাগরিক যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করে, তবে এই অন্ধকারকে প্রতিহত করা সম্ভব। কারণ সত্য হয়তো ধীরে চলে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সত্যই বিজয়ী হয়।
সতর্ক থাকুন, সচেতন হোন—দেশকে রক্ষা করুন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট