1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
হরতাল ও অবরোধের মধ্যে পার্থক্য জেনে নিন - আদালত বার্তা
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রাইব্যুনালে এলেই অসুস্থতা: বিচার এড়াতে ‘রোগের নাটক’, বলছে প্রসিকিউশন ঢাকায় সাংবাদিকতা সম্মেলনে স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের তাগিদ ঢাকা-ইসলামাবাদ সমঝোতা, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে ভারত ঘিরে পাকিস্তানের নতুন বার্তা, হাইকোর্টে একদিনে ৫ হাজারেরও বেশি মামলা নিষ্পত্তি চীন সফরে যাওয়ার আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী — তিস্তা সমস্যা নিয়ে ভারতের জন্য বসে থাকা চলবে না বাংলাদেশে কেমিক্যালমুক্ত আম: নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্যের প্রশ্ন সচিবালয় শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা, হচ্ছে যাচাই-বাছাই প্রথম সফর নিয়ে জটিলতা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে ভারতের আস্থাহীনতায় সরকার ঢাকার রাস্তায়  ট্রাফিক সিস্টেমে নতুন  বাস্তবতা AI ক্যামেরা। সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের দীর্ঘ কারাবাস:আইনের অপব্যবহার নিয়ে আইনজীবীদের উদ্বেগ।

হরতাল ও অবরোধের মধ্যে পার্থক্য জেনে নিন

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৩৯০ বার পড়া হয়েছে

হরতাল ও অবরোধের মধ্যে পার্থক্য জেনে নিন
এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক আদালত বার্তা : অক্টোবর ৩০, ২০২৩
হরতাল ও অবরোধের পার্থক্য জেনে নিন
অনেকেই হরতাল ও অবরোধের মধ্যে পার্থক্য কী সেটি জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন। দুটি কর্মসূচিতেই প্রায় একই ধরনের রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে ঠিকমতো বুঝে উঠতে পারেন না আসলে কোনটা হরতাল আর কোনটা অবরোধ। মূলত হরতাল ও অবরোধের কিছু পার্থক্য রয়েছে। আজ জানিয়ে দেব এ দইটির মধ্যে পার্থক্য কী

হরতাল
হরতাল হচ্ছে সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের সম্মিলিত আন্দোলন। হরতালের সময় সকল কর্মক্ষেত্র, দোকান, আদালত বন্ধ থাকে। তবে সাধারণত অ্যাম্বুলেন্স, দমকলবাহিনী, গণমাধ্যমসমূহ এর আওতার বাইরে হয়ে থাকে। হরতাল গুজরাটি শব্দ। ‍‍`হর‍‍` মানে সব জায়গায় আর ‍‍`তাল‍‍` মানে তালা। অর্থাৎ হরতাল মানে সব জায়গায় তালা। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী হরতালের প্রবর্তন করেছিলেন। ১৯৪৮ সালে বাংলাদেশে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ‍‍`তমুদ্দিন মজলিস‍‍` প্রথম হরতাল ডাকার পর থেকে এ দেশের রাজনীতিতে হরতাল বেশ প্রচলিত একটি কর্মসূচি।

অবরোধ
কোনো দাবি আদায়ের একটি বিশেষ ব্যবস্থা হলো অবরোধ। অবরোধ হচ্ছে কর্মসূচি পালনে জনগণকে বাধ্য করা। অবরোধে মানুষকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে কর্মসূচি চলাকালে সড়ক, নৌ ও রেলপথ অবরোধ করে রাখা হবে। পরিবহন চলতে দেওয়া হবে না। অবরোধে মানুষের সাড়া দেওয়া বা না দেওয়ার কিছু নেই, বরং কর্মসূচি পালনে মানুষকে বাধ্য করা হয়। অবরোধের ইতিহাস বিভিন্ন আমলেই দেখা গেছে। গ্রিক উপাখ্যানে ইলিয়াড ও ওডেসিতে ট্রয় নগরী অবরোধের কথা আছে। ১১৮৭ সালে সালাউদ্দিন আইয়ুবি জেরুজালেম অবরোধ করেন।

কোনটা বড় কর্মসূচি
রাজনীতিবিদরা মনে করেন হরতাল, অবরোধের চেয় বড় কর্মসূচি। এটা চূড়ান্ত ধাপের কর্মসূচি। কেননা দলের দাবির প্রতি যখন বেশির ভাগ মানুষ একমত পোষণ করে তখন এ ধরনের কর্মসূচি দেওয়া যায়। এটা না হলে হরতালে সফলতা পাওয়া যায় না। কেননা এখানে বেশিরভাগ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকতে হয়। না হলে কর্মসূচি সফল হয় না।

তারা মনে করে, এটা হচ্ছে ভোটের বা জরিপের মতো। হরতাল যত সফল ততই বোঝা যাবে দলের দাবির প্রতি মানুষের সমর্থন আছে।

অন্যদিকে অবরোধে যেহেতু বাধ্য করার বিষয় থাকে, তাই মানুষের সমর্থন সম্পর্কে বোঝা যায় না। হরতাল হয় শান্তিপূর্ণ অন্যদিকে অবরোধ জোর করার থাকলে অনেক ক্ষেত্রে তা সহিংস হয়ে উঠতে পাবে।

তবে আমাদের দেশের এ ধরনের কর্মসূচির ধরণ অনেকটা একই। দুই ধরনের কর্মসূচিতে বাধ্য করার একটা ব্যাপার থাকে। কর্মসূচি ঘিরে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতে দেখা যায়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট