বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন
Title :
বাংলাদেশি সাংবাদিকদের জন্য ভারতে বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স ক্ষমতার ভিত্তি হতে হবে আইন, পেশিশক্তি নয়’: জাতিসংঘ অধিবেশনে আন্তর্জাতিক আইন ও আদালতের নির্দেশ পালনের কড়া তাগিদ মহাসচিবের অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় এখন ‘নোট বাণিজ্য’ মুক্ত: রুহুল কুদ্দুস চাঞ্চল্যকর মামলার ডেথ রেফারেন্স নিষ্পত্তিতে গতি: হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে ৬৩ দিনে নিষ্পত্তি ২৬ মামলা মার্কিন ‘সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা’: ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বজুড়ে বন্ধ হচ্ছে সব ইরানি এয়ারলাইন জামিন পেলেও মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার: আদালতে চট্টগ্রাম জেল সুপারের ব্যাখ্যা দাখিল মৃত বাবার পেনশন প্রতিবন্ধী ছেলেকে কেন দেওয়া হবে না: হাইকোর্টের রুল জারি গত ৯ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্যগত কারণে হাইকোর্টে জামিন পেলেন সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়াল মব জাস্টিস ও আমাদের অসুস্থ সমাজ: বিচারহীনতা ও ‘সিলেক্টিভ প্রতিবাদ’-এর সংস্কৃতিতে জিম্মি মানবতা। স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় গ্রেপ্তার এমপি গাজী নজরুল: আইনি ব্যবস্থা নিতে সংসদের চিঠির অপেক্ষায় ইসি

৬ শর্তে টিআইএন বাতিল করা যাবে

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩
  • ৭০৯ বার পড়া হয়েছে

শর্তে টিআইএন বাতিল করা যাবে
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা :২৪জুন ২০২৩।
এখন থেকে করদাতারা তাঁদের কর নিবন্ধন বাতিল করতে পারবেন। করদাতাদের কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) কিছু শর্ত সাপেক্ষে বাতিলের সুযোগ রাখা হয়েছে নতুন আয়কর আইনে। এ জন্য করদাতাকে যথাযথ কারণ দেখিয়ে আবেদন করতে হবে। সম্প্রতি নতুন এ আইন সংসদে পাস হয়েছে।

তবে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে কোনো বকেয়া কর নেই, এমন বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে এবং আবেদনকারীর কারণগুলো যৌক্তিকভাবে যাচাই–বাছাইয়ের পরই টিআইএন বাতিল করবেন কর কর্মকর্তারা। আগের আয়কর অধ্যাদেশে টিআইএন বাতিলের কোনো সুযোগ ছিল না। ফলে অনেকেই টিআইএন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।

যে ছয় শর্তে কর নিবন্ধন বাতিলের আবেদন করা যাবে, সেগুলো হলো:
১. যেসব করদাতার রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা নেই;
২. মৃত্যু, অবসায়ন, অবলুপ্তি বা অনুরূপ কোনো কারণে অস্তিত্বহীন হয়ে যান;
৩. স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ত্যাগ করলে এবং বাংলাদেশে আয় করার কোনো কর্মকাণ্ড না থাকলে;
৪. ডুপ্লিকেট নিবন্ধন বা ভুল নিবন্ধন পেলে;
৫. আইনি মর্যাদা পরিবর্তন করলে এবং
৬. অন্য কোনো আইনানুগ কারণে।

  1. কর নিবন্ধন বাতিলে আগ্রহী করদাতাদের নিজ নিজ কর অঞ্চলে আবেদন করতে হবে। করদাতার কাছ থেকে আবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তা চারটি বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে টিআইএন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেবেন। ওই চার বিষয় হলো: ওই করদাতার কাছে কোনো বকেয়া দায় নেই; করদাতার বিরুদ্ধে কোনো কর নির্ধারণ নিয়ে মামলা নিষ্পন্নাধীন নেই; যেকোনো ফোরামে আয়করসংক্রান্ত কোনো বিরোধ নিষ্পন্নাধীন নেই এবং করদাতা আবেদনপত্রে নিবন্ধন বাতিলের যে কারণ দেখিয়েছেন, তার সত্যতা আছে।তবে নিবন্ধন বাতিল করলেও সব তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। বর্তমানে ৮৭ লাখ টিআইএনধারী থাকলেও মাত্র তিন ভাগের এক ভাগ করদাতা নিয়মিত রিটার্ন জমা দেন।
আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট