সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
Title :
বৈধ ভিসা থাকলেই প্রবেশের অধিকার নিশ্চিত নয়: দিল্লি হাইকোর্ট রিমান্ড শেষে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন নামের বিভ্রাটে ১০ মাস ধরে কারাগারে নির্দোষ আলমাছ: পরিচয় নিশ্চিতে হাইকোর্টের তদন্তের নির্দেশ যমুনার চরে ৬ হাজার মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র: জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা, বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: এমপি মিষ্টির পদত্যাগে কাঁপছে অপরাধ জগৎ কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়াম চালান বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন হচ্ছে ডিজিটাল, কমবে পারিবারিক মামলা ও জালিয়াতি ঘণ্টাপ্রতি শ্রম নয়, দক্ষতার বাজারমূল্যেই বাড়ে সফলতা প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে টিকে থাকতে কারিগরি দক্ষতার বিকল্প নেই বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই সাংবাদিকতা কি ‘মামার বাড়ির মোয়া’?

কক্সবাজারে পর্যটকের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১০২০ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারে পর্যটকের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস


এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক আদালত বার্তাঃ ২৩ ডিসেম্বর২০২২।

টানা তিনদিনের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের উপচে পড়া ভিড় লেগেছে। কক্সবাজার শহরের কোথাও তিল ধারণের ঠাঁই নেই। পর্যটন শহর এখন পর্যটকদের দখলে। ছুটি তিনদিন হলেও পর্যটকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস থাকবে সপ্তাহ জুড়ে। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পর্যটকে ঠাসা থাকবে কক্সবাজার। অধিকাংশ হোটেল-মোটেলের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ রুম অগ্রিম বুকিং হয়ে আছে। বছরের শেষ সূর্যাস্ত ও নতুন বছরের সূর্যোদয় দেখতে প্রতি বছর কয়েক লাখ পর্যটক জড়ো হন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে।
এবছর অন্যান্য বছরের থেকে আরো বেশি পর্যটকের উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে বলে হোটেল-মোটেল অফিসার্স ওনার্স অ্যাসোশিসনের সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ জানান। পর্যটকের ঢল দেখে আনন্দে উদ্বেলিত ব্যবসায়ীরা। খালি নেই হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউস, রেস্ট হাউস।
সাপ্তাহিক শুক্র, শনিবারের ছুটির সঙ্গে যোগ হয়েছে বড়দিনের ছুটি। সব মিলিয়ে তিনদিনের টানা ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্র এখন পরিপূর্ণ। পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছেন ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনের বিচ কর্মীরা। পর্যটকের আনাগোনা ও ভিড় ডিসেম্বর মাস জুড়ে থাকবে বলে মনে করেন ট্যুরিস্ট পুলিশের এক কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেল থেকে পর্যটকে ভরে গেছে কক্সবাজার। যানজট আর জনজটে একাকার কক্সবাজার শহর। অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ সামাল দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। টানা তিনদিন প্রায় আড়াই লাখ পর্যটকের পদভারে মুখর থাকবে বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এমনটা মনে করেন হোটেল ব্যবসায়ী নেতারা।
কয়েকটি হোটেল ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ হোটেল পর্যটকের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। কক্ষ পেতে ব্যাগপত্র নিয়ে এক হোটেল থেকে অন্য হোটেলে ছোটাছুটি করতেও দেখা যায় বেশকিছু পর্যটককে। অন্যদিকে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে দেখা গেছে, হাজারো পর্যটকের ভিড়। কেউ বালিয়াড়িতে দৌড়ঝাঁপ, কেউ সমুদ্রস্নানে ব্যস্ত। যে যার মতো করে আনন্দে মেতেছেন।
পর্যটকদের চাপ বাড়ায় প্রতিটি স্পটে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা প্রশাসকের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। শুধু কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত নয়, পর্যটকরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন, পাথুরে সৈকত ইনানী, পাটোয়ার টেক হিমছড়ি ও রামু বৌদ্ধ মন্দির, মহেশখালী আদিনাথ মন্দির, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক ডুলাহাজারা, টেকনাফের মার্টিনের কূপ ও সোনাদিয়া।
ঢাকার মালিবাগ থেকে আসা পর্যটক কবি ইমরুল হাসান বলেন, নিরিবিলি প্রকৃতির সঙ্গে সময় পার করতে কক্সবাজার চলে এসেছি। রুম পেতে একটু কষ্ট হয়েছে। তবে সমুদ্রস্নান ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পেরে সব কষ্ট ভুলে গেছি।
হোটেল দ্য কক্স টুডের ম্যানেজার মনিরুল আলম বলেন, ডিসেম্বরে আমাদের পর্যটক মৌসুম শুরু হলেও প্রথম দিকে পর্যটকের তেমন সাড়া পাইনি আমরা। আজ থেকে যে টানা ছুটি ছিল সেটাতে আমাদের হোটেলে শতভাগ বুকিং হয়েছে। এতে আমরা ক্ষতি পূরণ করতে পারবো। আশা করছি পুরো ডিসেম্বর এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট