সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
Title :
সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলা: রিমান্ডে দিশা আইনজীবী হলেই জনস্বার্থের দোহাই দিয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা যায় না: হাইকোর্ট মিরপুরে ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, এলাকা রণক্ষেত্র শুধু নথিপত্র যাচাইয়ের অজুহাতে পুরোনো কর নির্ধারণ পুনরায় খোলার সুযোগ নেই: হাইকোর্ট ডিজিটালাইজেশন ও আইনজীবী কল্যাণে ঢাকা ট্যাক্সেস বার: ওকালতনামায় কিউআর কোড সংযোজন, চিকিৎসা সুবিধা ও স্থায়ী ঠিকানার স্বপ্নপূরণ পুলিশের ধাওয়ায় তুরাগে ঝাঁপ দিয়েছিলেন তাহসিফ? দীপের বক্তব্যে নতুন তথ্য, পুরোপুরি আশ্বস্ত নয় পিবিআই একসঙ্গে দুই পেশা: সরাইল থানার ওসির বিরুদ্ধে আইনজীবী সমিতির শোকজ মানবতাবিরোধী অপরাধ: সালমান-জিয়াউলদের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন বার কাউন্সিলে নাকচ শিক্ষক নিয়োগ মামলায় জালিয়াতি: আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়াকে ঢাকা ছাড়তে নিষেধ আপিল বিভাগের বেলা ১১টায় এসে ২টায় চলে যাওয়া চলবে না’: বিচারকদের প্রতি আইনমন্ত্রীর কড়া বার্তা

ইরান যুদ্ধে স্থলসেনা পাঠানো নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থান কী? বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চললেও স্থলযুদ্ধে মার্কিন সেনা পাঠানো নিয়ে অনিশ্চয়তা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে

ইরান যুদ্ধে স্থলসেনা পাঠানো নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থান কী?
বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চললেও স্থলযুদ্ধে মার্কিন সেনা পাঠানো নিয়ে অনিশ্চয়তা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আদালত বার্তা, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও দেশটিতে বড় পরিসরে মার্কিন স্থলসেনা পাঠানোর প্রশ্নটি এখনো গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত বিষয় হয়ে রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একদিকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ অব্যাহত রাখছেন, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি স্থলযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এড়ানোর বিষয়টিও সামনে এসেছে।
সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইরান বাহরাইন, জর্ডান ও ইরাকে থাকা মার্কিন অবস্থানগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। 
তবে “মার্কিন সেনারা যুদ্ধে যাবে না”—এমন সরল অর্থে বিষয়টি দেখার সুযোগ নেই। কারণ মার্কিন সামরিক বাহিনী ইতোমধ্যে ইরানবিরোধী অভিযানে সক্রিয় এবং সংঘাতে মার্কিন সেনাসদস্য হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। জুলাইয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, ইরান যুদ্ধের শুরু থেকে ১৮ জন মার্কিন সার্ভিস মেম্বার নিহত হয়েছেন এবং শত শত সেনাসদস্য আহত হয়েছেন।
স্থল অভিযানই বড় প্রশ্ন
ইরানের ভূখণ্ডে বড় আকারে মার্কিন স্থলবাহিনী প্রবেশ করলে সংঘাত আরও দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে—এমন আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে মার্কিন সেনাদের প্রাণহানির ঝুঁকি যেমন বাড়বে, তেমনি ইরানের সঙ্গে সরাসরি দীর্ঘস্থায়ী স্থলযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনাও তৈরি হবে।
এর আগে যুদ্ধের বিভিন্ন পর্যায়ে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে স্থলসেনা পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে নানা বক্তব্য দিয়েছে। এমনকি মার্চে ট্রাম্প মার্কিন স্থলসেনা পাঠানোর সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি। 
পরবর্তীতে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও প্রশ্ন উঠেছে—এই সংঘাতের শেষ কোথায় এবং এর জন্য কতটা সামরিক ও অর্থনৈতিক মূল্য দিতে হবে।
যুদ্ধ থামানোর চাপও বাড়ছে
যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে কংগ্রেসের একটি অংশও প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার চেষ্টা করেছে। জুলাইয়ে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ ইরান যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে একটি প্রস্তাব পাস করলেও সিনেটে একই ধরনের উদ্যোগ আটকে যায়। 
অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসনের সামরিক ব্যয়ও বড় আকার ধারণ করেছে। দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের কারণে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের মজুত, সৈন্য মোতায়েন এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অবকাঠামোর ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা
১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার পর ইরানের পাল্টা হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি, জ্বালানি অবকাঠামো এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলো এখন সংঘাতের সম্ভাব্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। 
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে সামরিক চাপ বজায় রেখে কীভাবে পূর্ণাঙ্গ স্থলযুদ্ধ এড়ানো যায়।
তাই “ট্রাম্পের কথায় যুদ্ধে যাবে না মার্কিন সেনারা” শিরোনামের পরিবর্তে সংবাদে বলা অধিক নির্ভুল হবে—
“ইরানে স্থলসেনা পাঠানো নিয়ে অনিশ্চয়তা, বিমান হামলা অব্যাহত”।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট