সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
Title :
গ্রেপ্তারের আগে পরোয়ানার সত্যতা যাচাই করুন: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হাইকোর্টের ঐতিহাসিক নির্দেশ শিক্ষানবিশ আইনজীবী গ্রহণে সর্বোচ্চ ৮ জন ৬ মাসের পিউপিলেজ যথাযথভাবে সম্পন্নে বার কাউন্সিলের কঠোর নির্দেশনা ড. এস জয়শঙ্কর ও কিয়োকো: টোকিওর বসন্তে বোনা এক অনন্য ভালোবাসার গল্প ব্যাংক কর্মকর্তাকে হেনস্তা: ‘মোবাইল সাংবাদিকতা’ নিয়ন্ত্রণে আইনি নোটিশ ১০ বছরের মধ্যে এআই ‘সবাইকে মেরে ফেলবে’, প্রযুক্তিবিদের সতর্কবার্তায় তোলপাড় আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ধর্মঘট-হরতাল ডাকা অবৈধ: হাইকোর্ট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা রিট হাইকোর্টে খারিজ দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন: অন্যের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ ও বাণিজ্য অবরোধ বন্ধের কড়া বার্তা শি জিনপিংয়ের জোরপূর্বক পদত্যাগ বৈধ নয়: হাইকোর্ট মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে হারালে দল মেনে নেবে না: আইনমন্ত্রী

গ্রেপ্তারের আগে পরোয়ানার সত্যতা যাচাই করুন: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হাইকোর্টের ঐতিহাসিক নির্দেশ

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

গ্রেপ্তারের আগে পরোয়ানার সত্যতা যাচাই করুন: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হাইকোর্টের ঐতিহাসিক নির্দেশ

বিশেষ প্রতিবেদক, ঢাকা:১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ও ছেলে কি পড়ে 

একটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি এস. এম. কুদ্দুস জামান এবং বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের ডিভিশন বেঞ্চ এক যুগান্তকারী রায় প্রদান করেছেন। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, প্রতিটি পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালতের অনলাইন সিস্টেম বা সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে নিশ্চিত না হয়ে কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না।

​প্রেক্ষাপট ও রিট আবেদন

সম্প্রতি ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানায় সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও আটকের একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। একটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টি আমলে নিয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এই নির্দেশ দেন। ভুয়া পরোয়ানার মাধ্যমে হয়রানি রোধে এই রায়কে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

​আদালতের যুক্তি ও রায়

আদালত তার রায়ে স্পষ্ট করেছেন যে, পরোয়ানা পেলেই যাচাই-বাছাই ছাড়া তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না। নাগরিকের স্বাধীনতা ও আইনি অধিকার রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক দায়িত্ব হলো পরোয়ানার সত্যতা যাচাই করা। আদেশে বলা হয়েছে, গ্রেফতারের আগে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট পরোয়ানা ইস্যুকারী আদালতের অনলাইন ভেরিফিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করতে হবে। যদি অনলাইন সিস্টেম না থাকে, তবে ইস্যুকারী আদালতের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে পরোয়ানার সত্যতা নিশ্চিত হতে হবে।

​পরবর্তী পদক্ষেপ ও প্রতিক্রিয়া

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, হাইকোর্টের এই আদেশের ফলে জালিয়াতি করে ভুয়া ওয়ারেন্ট জারির প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। এই নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য দেশের সকল আদালতের ওয়ারেন্ট ব্যবস্থাপনা দ্রুত অনলাইন ভেরিফিকেশন সিস্টেমের আওতায় আনার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট