সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
Title :
ঢাকার সিএমএম কোর্টে নিত্যদিনের  সংকটে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করলেন হাইকোর্ট আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন নিষিদ্ধ: পরিবেশ অধিদপ্তরের কঠোর নির্দেশনা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ, কারা সেই দুই নেতা 🌍 বিদেশে পাসপোর্ট হারালে কী করবেন? পর্যটক ও প্রবাসীদের জন্য পূর্ণাঙ্গ আইনি ও ব্যবহারিক নির্দেশনা সঠিক Prompt-এই লুকিয়ে শক্তি: ChatGPT ব্যবহার করে দৈনন্দিন কাজ সহজ করার ২০ কার্যকর কৌশল নীতি ও নৈতিকতা চর্চার আলোয় চরিত্রের বিকাশ মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন বিচারকের অভাবই বড় সংকট: আইনমন্ত্রী দিল্লিতে প্রেস কনফারেন্সে শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্যে সমর্থন নেই ভারতের: রণধীর জয়সওয়াল “নীতিমালা” কি আইন? হাইকোর্ট কি নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দিতে পারে—সংবিধান ও বিচারিক ব্যাখ্যায় স্পষ্টতা

চার ঘণ্টার বৈঠক শেষ হতেই চীনা প্রেসিডেন্টকে ‘স্বৈরশাসক’ বললেন বাইডেন

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৪৩১ বার পড়া হয়েছে

চার ঘণ্টার বৈঠক শেষ হতেই চীনা প্রেসিডেন্টকে ‘স্বৈরশাসক’ বললেন বাইডেন
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা ঃ
১৭, নভেম্বর ২০২৩
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘ চার ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে বৈঠক শেষ করেই সিকে স্বৈরাচার বা স্বৈরশাসক বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৪ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোয় এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থা এপেকের শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দীর্ঘ চার ঘণ্টার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাইডেন এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাইডেন জানিয়েছেন—তিনি এখনো চীনা প্রেসিডেন্টকে একজন স্বৈরশাসক হিসেবেই বিবেচনা করে। এর আগেও একবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট চীনের প্রেসিডেন্টকে স্বৈরাচার বলে মন্তব্য করেছিলেন। সে সময় চীনের তরফ থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল। তবে এবার বাইডেন সি চিন পিংকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে স্বৈরশাসক বলেছেন।

সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে বাইডেনকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি এখনো সি চিন পিংকে স্বৈরাচার হিসেবে আখ্যা দেবেন কিনা? জবাবে জো বাইডেন বলেন, ‘দেখুন, আমি তাঁকে স্বৈরশাসক বলেছি এ কারণে যে—মূলত তিনি এমন এক ব্যক্তি এবং তিনি এমন একটি কমিউনিস্ট দেশকে শাসন করেন যার সরকার পদ্ধতি আমাদের চেয়ে একেবারেই আলাদা।’

বাইডেনের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন দুই দেশই অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, দুই দেশের মধ্যকার প্রযুক্তি ও বাণিজ্য খাতে ঘোষিত-অঘোষিত লড়াই এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে গেছে। এই অবস্থায় দুই দেশই পরিস্থিতি শীতল করতে শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে বাইডেনের এমন মন্তব্যের পর দুই দেশের সম্পর্ক আদৌ স্বাভাবিক হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট