
ধানমন্ডির ফুটপাতে বয়স্ক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মারধর
ভাইরাল ভিডিওর ঘটনায় যুবক আটক
আদালত বার্তা প্রতিবেদকঃ১৪ অক্টোবর ২০২৬।
রাজধানীর ধানমন্ডিতে ফুটপাতে এক বয়স্ক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) সকাল পৌনে ১২টার দিকে খালিদ হাসান (৩৫) নামে ওই যুবককে আটক করা হয়। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গ্রাফিকস ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়, গত ১২ অক্টোবর ধানমন্ডির একটি ফুটপাতে শহীদ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ (৪৮) নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে এক তরুণীর বিরোধের সূত্রপাত হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই ব্যক্তি তরুণীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেখানে হট্টগোল সৃষ্টি হলে কয়েকজন পথচারী ওই ব্যক্তিকে মারধর করেন। ওই তরুণীকেও ঘটনার সময় প্রতিবাদ করতে দেখা যায়।
পরে ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওটির একটি অংশে সাদা শার্ট পরা এক যুবককে ওই বয়স্ক ব্যক্তিকে চড়-থাপ্পড় ও লাথি মারতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর ওই যুবকের পরিচয় ও ভূমিকা নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়।
পুলিশের দাবি, ভাইরাল ভিডিওতে মারধরের ঘটনায় যে যুবককে দেখা গেছে, তিনি খালিদ হাসান।
ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, খালিদ হাসানকে বুধবার দুপুরে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
আইন নিজের হাতে নেওয়ার সুযোগ নেই
ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজ্ঞদের মতে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তার বিচার আইনানুগ প্রক্রিয়াতেই হওয়া উচিত। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
কোনো অভিযোগের জেরে প্রকাশ্যে কাউকে মারধর করা বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্যও উদ্বেগজনক। একই সঙ্গে মূল অভিযোগের সত্যতা, ঘটনাটির সম্পূর্ণ ভিডিও এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য
তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক যুবকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
চাইলে এটিকে আমি আদালত বার্তার অনলাইন সংস্করণের জন্য আরও অনুসন্ধানী/বিশ্লেষণধর্মী করে, সঙ্গে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া, গণপিটুনি ও ফৌজদারি দায়—এই তিনটি দিক যুক্ত করে আরও শক্তিশালী প্রতিবেদন হিসেবেও সাজিয়ে দিতে পারি।