রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
Title :
যমুনার চরে ৬ হাজার মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র: জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা, বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: এমপি মিষ্টির পদত্যাগে কাঁপছে অপরাধ জগৎ কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়াম চালান বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন হচ্ছে ডিজিটাল, কমবে পারিবারিক মামলা ও জালিয়াতি ঘণ্টাপ্রতি শ্রম নয়, দক্ষতার বাজারমূল্যেই বাড়ে সফলতা প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে টিকে থাকতে কারিগরি দক্ষতার বিকল্প নেই বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই সাংবাদিকতা কি ‘মামার বাড়ির মোয়া’? সরকারি চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশন: নিরাপত্তা যাচাই, নাকি রাজনৈতিক পরিচয় অনুসন্ধান? সড়ক-ফুটপাতে হকার বসলেই মালামাল ক্রোক ও মামলা: ডিএসসিসি প্রশাসকের কঠোর হুঁশিয়ারি। রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করছেন এমপি মিষ্টি, প্রত্যাহার পুলিশ কর্মকর্তা

নিম্ন বর্ণের হওয়ায় অপমানিত হয়েছিলেন তাই নিজেই করেছিলেন আলিশান প্রাসাদ রোজ গার্ডেন

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪
  • ৪৩৬ বার পড়া হয়েছে

নিম্ন বর্ণের হওয়ায় অপমানিত হয়েছিলেন তাই নিজেই করেছিলেন আলিশান প্রাসাদ রোজ গার্ডেন।

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক, আদালত বার্তাঃ১৪ জুলাই ২০২৪।

রোজ গার্ডেন

রোজ গার্ডেন পুরান ঢাকার টিকাটুলিস্থ কে এম দাস লেনের একটি ঐতিহ্যবাহী ভবন। তৎকালীন নব্য জমিদার ঋষিকেশ দাস বিশ শতকের তৃতীয় দশকে (সম্ভবত ১৯৩০ সালে) গড়ে তোলেন এ গার্ডেন। উনিশ শতকের শেষের দিকে বলধার জমিদারের বাগান ও বাড়ি (যা বর্তমানে বলধা গার্ডেন নামে পরিচিত) উচ্চবিত্তদের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

ইতিহাস বলধার জমিদার নিজে নাট্যকার ছিলেন এবং তাঁর বাড়িতে নিয়মিত গান বাজনার আসর বসতো। ঢাকার একজন ধনী ব্যবসায়ী হিসেবে হৃষিকেশ দাস একদিন বলধার এক জলসায় গেলে সেখানে নিম্ন বর্ণের হওয়ায় তাঁকে অপমান করা হয়। এরই ফলশ্রুতিতে একই রকম বাগান ও বাড়ি নির্মাণ করে এর প্রতিশোধ নিতে তিনি দৃঢপ্রতিজ্ঞ হন বলে কাহিনী প্রচলিত আছে। এভাবেই নির্মিত হয় রোজ গার্ডেন। সমগ্র ভারতে অদ্বিতীয় গোলাপ বাগান সমৃদ্ধ বাড়ি হওয়ার কারনেই এর নাম হয় ‘বোজ গার্ডেন’। বেশীর ভাগ উপাত্ত থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে ১৯৩০ সালের দিকেই হৃষিকেশ বাবু এ বাগান নির্মাণ শুরু করেন। এই বাগানের জন্য তিনি চীন, ভারত, জাপান ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে মাটিসহ গোলাপের চারা এনে লাগিয়েছিলেন।

পরবর্তীতে ঋণের দায়ে তিনি তাঁর সন্মানের প্রতীক এই জৌলুসপূর্ণ বাগান বাড়িটি ১৯৩৬ সালে খান বাহাদুর মৌলভী কাজী আবদুর রশীদের কাছে বিক্রয় করে দিতে বাধ্য হন। সত্তর সালের দিকে ‘রোজ গার্ডেন’ লীজ দেয়া হয় ‘বেঙ্গল স্টুডিও’কে। ১৯৮৯ সালে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ‘রোজ গার্ডেন’কে সংরক্ষিত ভবন বলে ঘোষণা করে। এরপর প্রথম হাত বদল হয় ১৯৩৭ সালে। ১৯৬৬ সালে আবদুর রশীদের বড় ভাই কাজী হুমায়ুন বশীর এই রোজ গার্ডেনের মালিকানা লাভ করেন। এ সময় তাঁর নামেই রোজ গার্ডেন হুমায়ুন সাহেবের বাড়ি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। কাজী হুমায়ুন ১৯৭০ সালে ।ততকালীন স্বনামধন্য চলচিত্র উন্নয়ন সংস্থা বেঙ্গল ষ্টুডিও ও মোশন পিকচার্স লি: এর কাছে বাড়িটি ভাড়া দেন। শেষে ১৯৯৩ সালে বাড়িটির অধিকার ফিরে পান কাজী রকিব, হুমায়ুন সাহেবের পারিবারিক বংশধর। বাড়িটির বর্তমান মালিক তিনি ও তাঁর স্ত্রী লায়লা রাকিব।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট