1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
মজুতের পচন ধরা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায় - আদালত বার্তা
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রথম সফর নিয়ে জটিলতা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে ভারতের আস্থাহীনতায় সরকার ঢাকার রাস্তায়  ট্রাফিক সিস্টেমে নতুন  বাস্তবতা AI ক্যামেরা। সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের দীর্ঘ কারাবাস:আইনের অপব্যবহার নিয়ে আইনজীবীদের উদ্বেগ। একজন আইনজীবীর অপ্রাসঙ্গিক জেরা গুণগতভাবে শক্তিশালী মোকদ্দমাকেও ধ্বংস করে দেয়। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, আমতলী এজলাসে আইনজীবীকে কটূক্তি করায় বাদীর কারাদণ্ড জুলাই আন্দোলনে অংশ নেয়া ২০৮ প্রবাসীকে ২৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আইনগত দিক থেকে  অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ (৪০৬) বনাম প্রতারণা (৪২০): বিভ্রান্তি ও বাস্তবতা অধস্তন আদালত মনিটরিংয়ে দায়িত্ব পেলেন ১৩ বিচারপতি ডিসির পর এবার ঢাকার পুলিশ সুপারও হলেন একজন নারী সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে প্রায় ৪০ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেছে।

মজুতের পচন ধরা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মার্চ, ২০২৪
  • ২৪০ বার পড়া হয়েছে

মজুতের পচন ধরা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ৩১ মার্চ ২০২৪।

শীঘ্রই দেশে ঢুকবে আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ। পাশাপাশি বাজারে বেড়েছে সরবরাহ। এমতাবস্থায় অল্প কয়দিনের ব্যবধানে অর্ধেকে নেমেছে দাম। এরইমধ্যে অধিক লাভের আশায় মজুত করা পেঁয়াজ গুদামে পচতে শুরু করেছে। সেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়।

জানা যায়, দুই-তিন সপ্তাহ আগেও সুনামগঞ্জের বাজারে পেঁয়াজের দর ছিল আকাশছোঁয়া। তবে বাজারে নতুন পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় এবং আমদানির খবরে বছরজুড়ে উঠতে থাকা নিত্যপণ্যটির এবার পতন শুরু হয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীর মজুত করা পেঁয়াজে পচন ঠেকাতে রোদে শুকিয়ে প্রাণপন চেষ্টা চলছে।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম। অধিক লাভের আশায় ৩০০ বস্তা পেঁয়াজ নিজস্ব গুদামে মজুত করেন। এরমধ্যে প্রায় ৫০ বস্তা পেঁয়াজ বাড়তি দামে বিক্রিও করেন। তবে বাকি পেঁয়াজে পচন ধরেছে।

তিনি বলেন, ৭০-৭৫ টাকা কেজিপ্রতি কিনেছি। এখন বাজারে ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আমাকেও বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে। সেইসঙ্গে নষ্ট পেঁয়াজগুলো ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজি ধরে বিক্রি করতে হচ্ছে।

আরেক ব্যবসায়ী হান্নান মিয়া বলেন, বেশি লাভের আশায় গুদামে পেঁয়াজ মজুত করেছিলাম, কিন্তু এখন বাজারে পেঁয়াজের কদর নেই। সেইসঙ্গে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা লোকশান গুণতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে বলা যায় বেশি লাভ করতে গিয়ে উচিৎ শিক্ষা হয়েছে।

এদিকে ক্রেতারা বলছেন, পেঁয়াজের দাম কমায় স্বস্তিতে আছেন তারা। মজুতদারি ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তাদের।

ক্রেতা আব্দুর রহমান বলেন, বাজারে এখন পেঁয়াজের কদর নেই। যারা পেঁয়াজ মজুত করে রেখেছিল তাদের পেঁয়াজ এখন পচে নষ্ট হচ্ছে। সেই পচা পেঁয়াজ ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে তারা।

অবৈধ মজুত ঠেকাতে বরাবরই সচেষ্ট আছেন বলে জানান ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক আল আমিন। তিনি বলেন, আমাদের অভিযানের প্রভাব পড়েছে। যে কারণে পেঁয়াজসহ আরও অনেক পণ্যের দাম কমেছে। যদি কেউ অবৈধ মজুত করে আমরা তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।

রমজান মাসের শুরুতে সুনামগঞ্জের বাজারগুলোতে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ছিল ১১০ থেকে ১২০ টাকা। যা এখন কমে এসেছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট