রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন
Title :
যমুনার চরে ৬ হাজার মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র: জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন সম্ভাবনা, বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’: এমপি মিষ্টির পদত্যাগে কাঁপছে অপরাধ জগৎ কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়াম চালান বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন হচ্ছে ডিজিটাল, কমবে পারিবারিক মামলা ও জালিয়াতি ঘণ্টাপ্রতি শ্রম নয়, দক্ষতার বাজারমূল্যেই বাড়ে সফলতা প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে টিকে থাকতে কারিগরি দক্ষতার বিকল্প নেই বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই সাংবাদিকতা কি ‘মামার বাড়ির মোয়া’? সরকারি চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশন: নিরাপত্তা যাচাই, নাকি রাজনৈতিক পরিচয় অনুসন্ধান? সড়ক-ফুটপাতে হকার বসলেই মালামাল ক্রোক ও মামলা: ডিএসসিসি প্রশাসকের কঠোর হুঁশিয়ারি। রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করছেন এমপি মিষ্টি, প্রত্যাহার পুলিশ কর্মকর্তা

যারা ভারতের মেঘালয় যেতে চান মেঘালয় নিয়ে একটি ছোট্ট ধারণা

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০২৪
  • ৩৮০ বার পড়া হয়েছে

💥যারা ভারতের মেঘালয় যেতে চান মেঘালয় নিয়ে একটি ছোট্ট ধারণা ❤

বিশেষ প্রতিবেদন,আদালত বার্তাঃ ৪ জুন ২০২৪।

মেঘালয় ইংরেজী (Meghalaya) উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি রাজ্য। এই রাজ্যের উত্তর ও পূর্ব দিকে অসম (আসাম) রাজ্য এবং দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত। মেঘালয়ের রাজধানী শিলং।
মেঘালয় হচ্ছে মেঘেদের বাড়ি। কবিদের অনুপ্রেরনার ও চিত্রকরদের ক্যানভাস। বেড়ানোর জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় জায়গা। ২১ জানুয়ারী ১৯৭২ সালে রাজ্য হিসাবে ঘোষনা হয়। মেঘালয় ছবির মত সুন্দর একটি রাজ্য, কালচার ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ মেঘের সমাবেশ। জীবনের কিছু রঙ্গিন মুহুত্ব কাটানোর জন্য উপযুক্ত জায়গা। মেঘালয় সেভেন সিস্টার খ্যাত উত্তর পূর্ব অঞ্চলে অন্যতম একটি সুন্দর রাজ্য। মেঘালয় পাঁচটি প্রশাসনিক জেলায় ভাগ হয়েছে- জয়িন্তা পাহাড়, পূর্ব এবং পশ্চিম গারো পাহাড়, পূর্ব এবং পশ্চিম খাসি পাহাড়। শিলং ও চেরাপুঞ্জির প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এখানে প্রচুর বৃষ্টি হয়। আর একারণেই বর্ষার সিজনই উপযুক্ত সময় মেঘালয়ে বেড়াতে যাওয়ার। তাই মে থেকে অক্টোবরই ভাল সময়।

🔥 কীভাবে যাবেনঃ
ঢাকা থেকে সিলেট বাসে বা ট্রেনে, সেখান থেকে বাসে কিংবা সিএনজি স্কুটারে তামাবিল। ভারতের পাহাড়গুলোর ঠিক পাদদেশে বাংলাদেশের এই প্রান্তে সমতলভূমিতে ইমিগ্রেশন-কাস্টম অফিস।
ভাড়া করা ট্যাক্সিই শিলং ও চেরাপুঞ্জিতে বেড়ানোর সবচেয়ে ভালো বাহন। বলে রাখি, শিলং বা চেরাপুঞ্জিতে থাকা, খাওয়া এবং গাড়িতে ঘুরে বেড়ানোর খরচটা পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে কিছুটা বেশি। তামাবিল সীমান্তে ট্রাভেল ট্যাক্স দেওয়ার মত সোনালী ব্যাংক ছাড়া আর কোন ব্যাংক নেই, এ জন্য বেশ খানিকটা দূরে যেতে হতে পারে। তবে ঢাকা থেকেই ট্রাভেল ট্যাক্স পরিশোধ করে যাওয়া ভালো।

🔥 কোথায় কোথায় যাবেনঃ
ডাউকিঃ উমগট রিভার, ক্রাংসুরি ঝর্ণা, উমগট রিভার, সোনেংপেডেং ভিলেজ, নোহওয়েট লিভিং রুট ব্রিজ, বোরহিল ঝর্ণা, উমক্রেম ঝর্ণা।
চেরাপুঞ্জিঃ ডাবল ডেকার রুট ব্রিজ, মৌসিমাই কেভ, সেভেন সিস্টার্স ঝর্ণা, ইকো পার্ক, নুকায়কালী ফলস, আরওয়া কেভ, মাসাওয়া ফলস।
শিলং শহরঃ শিলং পিক, লেডি হায়াদ্রি পার্ক,ডন বস্কো মিউজিয়াম,উমিয়াম লেক,ক্যাথিড্রাল চার্চ, গলফ কোর্স, ওয়ার্ডস লেক।

🔥 কোথায় থাকবেনঃ
সোনেংপেডেং এ হোটেল/কটেজ এর সংখ্যা কম। তাই একটু আগে গিয়ে নিজেরা হোটেল/কটেজ ঠিক করে নিন। (ভারা ১০০০-১৫০০) রুপি, চেরাপুঞ্জিতে চারজনের রুম ২০০০ রুপি।
শিলং এ তিনজনের রুম ২৫০০ রুপি ।

🔥 যাতায়াত খরচঃ
ডাউকি থেকে চেরাপুঞ্জি (২৫০০-২৮০০) রুপি আনুমানিক। চেরাপুঞ্জি থেকে শিলং (২৫০০-৩০০০) রুপি শিলং-ডাউকি (৩০০০-৪৫০০) রুপি।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট