শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
Title :
ছেলেকে চিকিৎসক বানাতে এসে লাশ নিয়ে ফিরছেন মা: কুমিল্লায় কাশ্মীরি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু শর্টকাট পথে অর্থ উপার্জনের মানসিকতা নিয়ে দক্ষ আইনজীবী হওয়া অসম্ভব: আইনমন্ত্রী আদালত চত্বরে বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংকট: আইনি সীমানা, আদালত অবমাননা ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতা ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়ায় নতুন কড়াকড়ি: বাধ্যতামূলক হলো ‘ভিসা অঙ্গীকারনামা’ সি ক্রিস্টিন ফেয়ারের মন্তব্য ও আলী রিয়াজের একাডেমিক সংযোগ: ভূ-রাজনীতি, ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক প্রভাব একই মামলায় তথ্য গোপন করে ৩ বার আগাম জামিন: দুই আইনজীবীকে তলব করলেন হাইকোর্ট বিচার বিভাগের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অনিয়ম: একটি মহাকাব্যের অবসান নাকি নতুন সংকটের শুরু? অসময়ে উঁকি দিচ্ছে রূপসী কাঞ্চনজঙ্ঘা: পঞ্চগড়ে প্রকৃতিপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড় ঢাকার আদালতকে উত্তর ও দক্ষিণে বিভক্ত করতে হাইকোর্টে রিট। জরুরি প্রস্তুতিতে খাবার-পানি মজুদের হিড়িক: আসন্ন কোনো বিপর্যয়, নাকি বৈশ্বিক আত্মরক্ষার আগাম কৌশল

সাহিত্যে নোবেল প্রাপ্তি, প্রত্যাখান ও প্রত্যাহার বিতর্কের তালিকায় যেসব সাহিত্যিকরা

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৩৬৭ বার পড়া হয়েছে

জেমস জয়েসকে বলা হয় লেখকদের লেখক। তিনি ট্রিনকোয়ান লেকচারে প্রথম বলেন, সাহিত্য কি খেলাধুলা যে প্রতিযোগিতা হয়, এরপর ট্রফি তুলে দেওয়া হবে বিজয়ীর হাতে? এই পুরস্কার তুলে দেওয়ার সংস্কৃতিও উচ্চমন্য ও হীনমন্যকুলের জন্ম দেয়। যাকে বলে এলিটিজম।

তিনি নোবেল পুরস্কার পাননি। পাননি লিও তলস্তয়, জোসেফ কনরাড বা হেনরি জেমস, মার্সেল প্রুস্ত, পল ভ্যালেরি, মিলান কুন্ডেরাসহ অসংখ্য সাহিত্যিক। আবার এমন অনেকে পেয়েছেন নোবেল যাদের এখন আর কেউ চেনেই না।হেনরিক শিয়েঙ্কেভিচ, রুদলফ ইউকেন, এলভিন্দ জনসন, জয়েস হ্যারিহননি।

নোবেল সাহিত্য পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছিলেন জ্যাঁ পল সার্ত্রে অন্যজন বরিস পাস্তের্নাক। আর বব ডিলানও প্রথমে নিতে চাননি। বেকায়দায় পড়েছিলেন নোবেল কমিটি। পরে অবশ্য বব ডিলান পুরস্কারটা নেন।

লকডাউনের পর ভক্সওয়াগন চালু করেছে ইউরোপের বড় কারখানাটি ≣ [১] মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ছড়িয়ে দিতে গড়ে তোলা হয়েছে ‘বাংলাদেশ পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর’ ≣ সেনাবাহিনীর পেনশন সেবা সহজতর হলো

১৯৬৪ সালের ১৪ অক্টোবর সার্ত্রে নোবেল কমিটির কাছে এক চিঠিতে লেখেন,আমি আজই জানতে পেরেছি, কোনো কোনো সূত্র অনুসারে আমি এ বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেতে পারি। শুধু ১৯৬৪ সালে নয়, এর পরে কোনো সময়েই এই সম্মান আমার কাঙ্খিত নয়।

গতবছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন অস্ট্রিয়ান লেখক পিটার হ্যান্ড। পিটার হ্যান্ডকে নব্বই দশকে বসনিয়া যুদ্ধে সার্বদের সমর্থন দিয়েছিলেন। ২০০৬ সালে পিটার হ্যান্ডকে সার্বিয়ার নৃশংসতার বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেন এবং সার্বিয়ার ভাগ্যকে ইহুদিদের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।

১৯২০ সালে সাহিত্যে নোবেল পেয়েছিলেন ন্যুট হামসুন। ২৫ বছর পর আডলফ হিটলারের মৃত্যুতে শোকবার্তা লিখেছিলেন, “হিটলার ছিলেন মানবজাতির যোদ্ধা। পরে তার পুরস্কার প্রত্যাহার করে নেয় নোবেল কমিটি। সূত্র : পলিটিকো

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট