সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
Title :
১৮০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি উদ্বিগ্ন নাগরিকদের যৌথ বিবৃতি শ্রেষ্ঠ শিক্ষককে ঘিরে সামাজিক বিতর্ক ব্যক্তিস্বাধীনতা, পেশাগত মর্যাদা ও সামাজিক মূল্যবোধের নতুন বাস্তবতা ফিটনেস সনদ ছাড়া যানবাহন চলাচল বন্ধে হাইকোর্টের রুল যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাস গড়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি সোমা এস. সাঈদ—অভিবাসী সাফল্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বিকাশ-নগদ-রকেটের অতিরিক্ত চার্জ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষায় পৃথক আইন প্রণয়নের প্রশ্নেও নির্দেশনা চাওয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২৭ সংস্কৃতিকর্মী ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল রবীন্দ্র সরোবরে নাচ-গানে শুরু ‘বর্ষা মঙ্গল উৎসব ১৪৩৩’: নতুন প্রজন্মে সংস্কৃতির বার্তা বাথরুমে সরকারি ওষুধের স্তূপ স্বাস্থ্যব্যবস্থার চরম অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাগেরহাটে ছুরিকাঘাতে আইনজীবী নিহত দেশ গঠনে সাংবাদিকদের এগিয়ে আসতে হবে : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত সাংবাদকর্মীরা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২২
  • ১০৪৮ বার পড়া হয়েছে

সংবাদপত্রকে বলা হয় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত সংবাদকর্মীরা সেই স্তম্ভেরেই অংশ।সাংবাদিকতা অনেক অধিকার, অধিকারহীনতা, পাওয়া, না-পাওয়ার বঞ্চনা, অনেক আশা-নিরাশার পাকেচক্রে বাঁধা এক জীবন। সব দুঃখ-বেদনা পেরিয়ে এসেও শেষ পর্যন্ত এ পেশাটি এক ধরনের অহংকারই বটে । এ পেশায় সবচেয়ে বড় অহংকার শেষ পর্যন্ত মানুষ এবং মানুষের জন্য কাজ করার তৃপ্তি। এ পেশার ব্যক্তিকে শেষ পর্যন্ত এসে মিলিত হতে হয় সাধারণ মানুষের কাতারে। কলম ধরতে হয় দেশের দুর্বল, নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষের পক্ষে। এ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে কখনও আপস করেনি সাংবাদিকরা।
দেশের দুর্বল, নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষ মনে করেন সাংবাদিরা তাদের কথা তুলে ধরলে তাদের সমস্যার সমাধান হবে। দেশবাসী জানবেন, সরকারের দৃষ্টিতে পড়বে, সরকার আমলে নেবে। তাই এখনও সব রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী প্রতিনিধি, বঞ্চিত, বিক্ষুব্ধ মানুষ ছুটে আসেন সাংবাদিকদের কাছে।
সাংবাদিকতা একটি বিশ্বাস, আস্থার ও ভরসার প্রতীক মাত্র। এ প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা খুব একটা ক্ষমতার অধিকারীও নন। তারা সহানুভূতিপূর্ণ হৃদয়ে সতথ্য প্রতিবেদনে তাদের কথা তুলে ধরেন পত্রিকার পৃষ্ঠায়, টেলিভিশনের পর্দায়, রেডিও’র তরঙ্গে। তা রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টিতে পড়ে, কানে ঢোকে- তারাও সমব্যথী হয়ে ওঠেন মানুষের প্রতি আর তার ফলেই প্রশস্ত হয় প্রতিকারের পথ। মানুষের বঞ্চনার অবসান ঘটে।
আর এ কারণেই এই প্রতিষ্ঠান, এ পেশার মানুষের ওপর এখনও দেশের মানুষ তথা জনতা, জনপ্রতিনিধিদের আস্তার ও ভরসা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট