বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
Title :
শিক্ষক নিয়োগ মামলায় জালিয়াতি: আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়াকে ঢাকা ছাড়তে নিষেধ আপিল বিভাগের বেলা ১১টায় এসে ২টায় চলে যাওয়া চলবে না’: বিচারকদের প্রতি আইনমন্ত্রীর কড়া বার্তা কুষ্টিয়ায় ৬ হত্যা: মাহবুবউল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড আইনজীবীর ভুলে মক্কেলকে ভোগান্তিতে ফেলা উচিত নয়: হাইকোর্ট তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধার: ৫ আগস্টের আলোচিত ভিডিও, নিখোঁজের পর তুরাগে মৃত্যু—রহস্য ঘনীভূত আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে জাতিসংঘে শেখ হাসিনার আবেদন: আইনি অধিকার ও আন্তর্জাতিক সনদ লঙ্ঘনের অভিযোগ ১ নভেম্বর খুলছে সেন্ট মার্টিন: দৈনিক সাড়ে তিন হাজার পর্যটকের সীমা ও পরিবেশবিধির কড়া নজরদারি। কণ্ঠশীলনের ‘শ্রুতি সমাহার’: এক মঞ্চে চার প্রযোজনার নান্দনিক পরিবেশনা আইনজীবীর সিল জালিয়াতি করে ভুয়া দলিল: ফেঁসে যাচ্ছেন আসল আইনজীবীরা, ঢাকা বার থেকে টাউট আটক। আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করল বার কাউন্সিল: কার্যকর ২০৩০ সাল থেকে

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় জালিয়াতি: আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়াকে ঢাকা ছাড়তে নিষেধ আপিল বিভাগের

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় জালিয়াতি: আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়াকে ঢাকা ছাড়তে নিষেধ আপিল বিভাগের

​আদালত বার্তা ডেস্কঃ২৯ অক্টোবর ২০২৬। 

ঢাকা: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত মামলায় জালিয়াতির মাধ্যমে রায় নেওয়ার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়াকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা ছাড়তে নিষেধ করেছেন আপিল বিভাগ। এ ঘটনায় তিনি সর্বোচ্চ আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। এ বিষয়ে আগামী সোমবার চূড়ান্ত আদেশ দেওয়া হবে।

​বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

​এর আগে রাষ্ট্রপক্ষ ওই রায়গুলোর বিরুদ্ধে আপিল করলে নথিপত্র পর্যালোচনায় কথিত অনিয়ম ও জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে বলে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি আদালতকে অবহিত করেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের একটি রিট মামলায় যথাযথ রুল জারির পর কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানি ছাড়াই রায় গ্রহণ করা হয়। এমন প্রায় নয়টি মামলায় অনুরূপ জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে।

​নথিসূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে বিচারপতি নাইমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে এসব রায় নেওয়া হয়। ২০২০ সালের একটি রিট পিটিশনে (নং-৯১৯/২০২০) মূল ৫৮ জন আবেদনকারীর বাইরে আরও ৬৪ জনকে সহ-আবেদনকারী হিসেবে যুক্ত করা হয়। তবে নিয়মিত সেকশন-প্রক্রিয়া, নামের আনুষ্ঠানিক তালিকাভুক্তি কিংবা বিবাদী পক্ষকে (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর) কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। এমনকি মাত্র একদিনের ব্যবধানে আবেদন মঞ্জুর ও শুনানি শেষে মাত্র চার দিনের মাথায় রায় ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত রায়ে মূল আবেদনকারীদের বাদ দিয়ে পরবর্তীতে যুক্ত হওয়া নতুন সহ-আবেদনকারীদের পক্ষে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

​এসব অনিয়মে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করে আপিল বিভাগ জানিয়েছেন, শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত নয়টি মামলার রায় ঘোষণার দ্রুততা ও প্রক্রিয়াগত অনিয়ম খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে তৎকালীন হাইকোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দারের বেঞ্চের সব রায় পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট বিচারপতিদের কাছ থেকেও ঘটনার ব্যাখ্যা চাওয়া হতে পারে।

​এদিকে আদালতে নিজের বক্তব্য তুলে ধরে আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া দাবি করেন, তিনি আইনগত প্রক্রিয়া মেনেই কাজ করেছিলেন, তবে সেকশনে কিছু জটিলতা ছিল। শুনানিকালে আদালতের কাছে তিনি নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। আদালত তাঁর ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন নথিভুক্ত রেখে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁকে রাজধানী ত্যাগ না করার নির্দেশ দেন।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট