সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
Title :
নতুন করে আলোচনায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি। ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন এসএনএ চার্জ ইউনিটপ্রতি আধা পয়সা—১,১৬০ মেগাওয়াটে বছরে সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা বাংলাদেশে বন্ধ হচ্ছে যুক্তরাজ্যের অর্থায়নে পরিচালিত জলবায়ু প্রকল্প। ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক সোহেল রানার বিরুদ্ধে নিজ সরকারি গাড়িচালক মো. আলী হোসেন বাচ্চুকে খাস কামরায় ডেকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহ রহস্য উন্মোচন ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় চারজনকে হত্যা, লাশের পাশেই গোসল-খেজুর-ইয়াবা; গ্রেপ্তার দুই চীনা দূতাবাসে হামলার হুমকি: কূটনৈতিক নিরাপত্তায় বাড়তি সতর্কতা, তৎপর গোয়েন্দারা যানজট নিয়ন্ত্রণে ড্রোন সার্ভিলেন্স, এআই ক্যামেরার পর ঢাকার ট্রাফিকে নতুন প্রযুক্তি গানভরের সঙ্গে এলএনজি চুক্তি: শুরুতে চড়া দাম, দীর্ঘমেয়াদে সস্তার আশ্বাস স্মার্টফোন, AI ও আইনজীবীর নতুন Drafting Assistant Junior Lawyer-এর Drafting দক্ষতায় আসছে নতুন পরিবর্তন নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন, মধ্যরাতে প্রজ্ঞাপন

আসুন এই বর্ষা মৌসুমে ফলজ, বনজ, ঔষধি তিনটি বৃক্ষ রোপণ করে পরিবেশ রক্ষা করি।

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২০ মে, ২০২৩
  • ৪৫০ বার পড়া হয়েছে

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক আদালত বার্তা :২০ মে ২০২৩।

শস্য-শ্যামলা সুজলা সফলা আমাদের   এই বাংলাদেশ। ষড়ঋতুর এই দেশে কোন ফসল রোপন করা হলে যত্ন না নিলে ও প্রাকৃতিক ভাবে বেড়ে উঠে আমাদের এই দেশে গাছপালা। বর্তমানে বাংলাদেশে মানুষ  অনুভব করতে পারছে প্রকৃতিগতভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবের ফলে প্রচণ্ড দাবদাহে ফলে জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে আর এর থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে প্রকৃতির প্রতি নজর দিতে হবে রোপণ করতে হবে গাছপালা গড়ে তুলতে হবে সবুজায়ন। আর এই  গাছপালাই পারে একমাত্র আমাদেরকে রক্ষা করতে প্রচন্ড দাবদাহ হতে। বাংলাদেশের বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ  মাসকে মধুমাস বলা হয়। এই দুই মাসে প্রচুর ফল ফলাদি পাওয়া যায়। আর এই ফল-ফলাদির বীজ আমরা পেয়ে থাকি এই মাসগুলোতে। কমবেশি বাংলাদেশের সকল মানুষই ফল-ফলাদি খেয়ে থাকেন তারমধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হিসাবে

আপনার যারা আম, লিচু, কাঠাল, জাম মৌসুমি ফল খাবেন, খাবার পর তার বীজ/আঠি/বিচি/দানা/seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না। সেগুলো ভালো করে পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে একটি কাগজে মুড়ে রেখে দিন। যদি কখনও কোথাও গাড়িতে করে দূরে ঘুরতে যান তবে সেই বীজগুলো অবশ্যই রাস্তার ধারের অনুর্বর ফাঁকা জমিতে একে একে ছিটিয়ে দিন।
আসছে বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নিবে। যদি এদের মধ্যে একটা গাছও বেচেঁ থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সবচেয়ে বড় উপহার। ফলের গাছ শুধু পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজ রাখে না, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে।
যার ফলে পরিবেশের হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্য রক্ষা হয়।
তাছাড়া ও এই গাছ হতে যাঁরা ফল খাবে বা ব্যাবহার করবে আপনার জন্য থাকবে নেকি ও সওয়াব।
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ সচেতন মূলক ভাবে যদি এমনিভাবে এই বর্ষা মৌসুমে গাছের বীজ রোপন করেন তাহলে এই বীজ থেকে গাছ হবে আর গাছ থেকে পাব আমরা জীবন রক্ষাকারী অক্সিজেন। পাব গাছ থেকে কাট। তার সাথে পাবো প্রাকৃতিক ভারসাম্য। তাই সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এই বৃক্ষরোপণ অভিযান।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট