সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
Title :
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে জরুরি প্রয়োজনে মিলবে সুদমুক্ত ৫ হাজার টাকা ঋণ ঢাকার সিএমএম কোর্টে নিত্যদিনের  সংকটে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করলেন হাইকোর্ট আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন নিষিদ্ধ: পরিবেশ অধিদপ্তরের কঠোর নির্দেশনা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ, কারা সেই দুই নেতা 🌍 বিদেশে পাসপোর্ট হারালে কী করবেন? পর্যটক ও প্রবাসীদের জন্য পূর্ণাঙ্গ আইনি ও ব্যবহারিক নির্দেশনা সঠিক Prompt-এই লুকিয়ে শক্তি: ChatGPT ব্যবহার করে দৈনন্দিন কাজ সহজ করার ২০ কার্যকর কৌশল নীতি ও নৈতিকতা চর্চার আলোয় চরিত্রের বিকাশ মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন বিচারকের অভাবই বড় সংকট: আইনমন্ত্রী দিল্লিতে প্রেস কনফারেন্সে শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্যে সমর্থন নেই ভারতের: রণধীর জয়সওয়াল

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলার বিচার শুরু

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৩
  • ৩৯০ বার পড়া হয়েছে

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলার বিচার শুরু
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা ঃ ৩১ আগষ্ট ২০২৩।
গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন শ্রম আদালত। সোমবার ২৮ আগস্ট সকালে ২০০৬ সালের আগে কাজ করা ১৮ শ্রমিক তাদের পাওনা মুনাফার দাবিতে ঢাকার শ্রম আদালতে মামলা করেন। পরে শুনানি শেষে বিচারক এ আদেশ দেন। জারি করা সমনের বিষয়ে আগামী ১৬ অক্টোবরের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন সমনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, এখনো আমরা সমনের নোটিশ হাতে পাইনি। পাওয়ার পর এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এর আগে শ্রম আইন লঙ্ঘনের আরেক মামলায় ড. ইউনূসের বিচার শুরু হয়েছে।

শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করে ঢাকার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর। ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে এ মামলা করেছিলেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ড. ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকম পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে তারা কিছু ক্ষেত্রে শ্রম আইনের লঙ্ঘন দেখতে পান।

শ্রমিক-কর্মচারীকে স্থায়ী করার কথা থাকলেও তাদের স্থায়ী করা হয়নি। শ্রমিকদের অংশগ্রহণের তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়নি। এছাড়া কোম্পানির লভ্যাংশের ৫ শতাংশ শ্রমিকদের দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেওয়া হয়নি। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে এ মামলা করা হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট