শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
Title :
আগামীকাল ২৫ অক্টোবর ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের অনুষ্ঠানে বিচারপতি-আইনজীবীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার নিজ ফ্ল্যাটে গলা ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত দীর্ঘ অবকাশ শেষে সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু ২৫ অক্টোবর বিজ্ঞ আইনজীবীদের জন্য শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি-জেনারেলের কার্যালয় পাহাড়ের সৌন্দর্যের আড়ালে নিরাপত্তার নেপথ্য প্রহরা বর্ডার পার হওয়ার আগে অবশ্যই পোর্ট ট্যাক্স ও ভ্রমণ কর সঙ্গে রাখবেন সেনাপ্রধানের সেন্ট মার্টিন সফর ঘিরে প্রশ্ন, গভীর সমুদ্রে যাওয়ার খবরের স্বাধীন যাচাই হয়নি চীনা কোম্পানির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব: তিন দশকের ফাইলবন্দি খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পে নতুন গতি ফ্রান্সের অস্থিরতা: গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ কোথায় শেষ, নৈরাজ্য কোথায় শুরু? সৌরবিদ্যুৎ সুরক্ষায় কঠোর শাস্তির বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি: চুরি ও নাশকতায় কারাদণ্ড-অর্থদণ্ড আশুলিয়ায় মরদেহ পোড়ানোর মামলা: রাজসাক্ষী হওয়ায় ক্ষমা পেয়ে কারামুক্ত সাবেক এসআই আবজালুল

সংশোধনীসহ আ.লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ পাসের সুপারিশ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩০৯ বার পড়া হয়েছে

সংশোধনীসহ আ.লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ পাসের সুপারিশ

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা : ০৪ এপ্রিল ২০২৬

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের বিধান যুক্ত করে ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ সংশোধনীসহ পাসের সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা শেষে বিশেষ কমিটি চূড়ান্ত রিপোর্টে এই সিদ্ধান্ত জানায়।

গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কমিটির প্রধান জয়নুল আবদিন এ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিএনপি জানিয়েছিল, নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে তারা নয়; এ ধরনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণেরই হওয়া উচিত। তবে সরকার গঠনের পর দলটি সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে নির্বাহী আদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকছে। আর শাস্তির বিধান যুক্ত করে এটি আইনে রূপ নিলে দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দিন, গত ১৩ মার্চ উত্থাপন করা হয়। সেদিনই গঠিত ১৪ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনা শুরু করে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদে পাস না হলে কোনো অধ্যাদেশ ৩০ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ ১২ এপ্রিলের পর কার্যকারিতা হারাবে।
বিশেষ কমিটি গত বৃহস্পতিবার তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে ৯৮টি অধ্যাদেশ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই আইনে পরিণত করার সুপারিশ করেছে। এছাড়া ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল আকারে উপস্থাপনের এবং ১৬টি আপাতত উত্থাপন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চারটি অধ্যাদেশ বাতিল করে সংরক্ষণের সুপারিশও রয়েছে।

সংশোধনের সুপারিশ পাওয়া ১৫টি অধ্যাদেশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’। এতে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ ও ২০ ধারা সংশোধনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। একই আইনের আওতায় ২০২৪ সালের অক্টোবরে ছাত্রলীগকেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট