মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন
Title :
আশুলিয়ায় মরদেহ পোড়ানোর মামলা: রাজসাক্ষী হওয়ায় ক্ষমা পেয়ে কারামুক্ত সাবেক এসআই আবজালুল স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ইসির সময়সূচি জারি নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি ও এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত জাজমেন্ট লেখার মূল ভিত্তি: ফ্যাক্ট, ল’ ও জুডিশিয়াল এথিকস। চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত খতিয়ানের ভুল সংশোধন সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনা ও কার্য পদ্ধতি  ইনানীতে কাঠের রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: শিশুসহ ৬ পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যু, দগ্ধ ৫ আদালতের দায়িত্ব পালনকালে আইনজীবীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার আদালত অবমাননার শামিল: এলাহাবাদ হাইকোর্ট সৌদিতে কথিত অপরাধে ত্বরিত ফাঁসি, নারী শ্রমিকদের ধর্ষণ ও হত্যার বেলায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি স্পষ্ট কারণ ছাড়া পক্ষ সংযোজনের আদেশ আইনসম্মত নয়: হাইকোর্ট ধর্ম অবমাননার অপবাদ ও ফেসবুক উসকানি: হাসপাতাল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা কামিল পাস শামীমকে পেশার প্রতি ভালোবাসাই আইনজীবীর সবচেয়ে বড় শক্তি বয়স বাড়ে, শরীরের গতি কমে—কিন্তু শেখার আগ্রহ ও ন্যায়বোধ যেন থেমে না যায়। 

আজ ১১ই জুন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস।

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১০ জুন, ২০২৪
  • ৪৫৯ বার পড়া হয়েছে

 

আজ ১১ই জুন,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস।

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক আদালত বার্তাঃ১১ জুন ২০২৪

আজ ১১ই জুন,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস।

২০০৭ সালের ওয়ান ইলেভেনের সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার জননেত্রী শেখ হাসিনাকে এই দিনে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়।

সে সময় সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন মুক্তি লাভ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা।
১/১১-এর ঘটনার মধ্য দিয়ে গঠিত অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিভিন্ন মামলা দিয়ে ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার করা হয়েছিল তাকে।

পরবর্তীকালে অন্দোলনের চাপের মুখে সেসব হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা থেকে শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার।
ঐ তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাসহ রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে এদশে গণতন্ত্রকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করে।
কারাগারে বন্দি থাকার একপর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা। তখন চিকিৎসার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তার মুক্তির জোরালো দাবি ওঠে।

আওয়ামী লীগসহ দলটির সব সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্রকামী দেশবাসীর ক্রমাগত অপ্রতিরোধ্য আন্দোলন, আপোষহীন মনোভাব এবং শেখ হাসিনার মুক্তির অনঢ় দাবি জোরালো হয়ে ওঠে। ওই সময় শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জমা দেয়। এসব দাবির প্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

সেই অগণতান্ত্রিক সরকারের ক্ষমতা দখলের শুরুতেই এর বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলেন গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।
এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাবার মতো আপসহীন মনোভাব নিয়েই অগ্রসর হতে থাকেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তার অনঢ় দাবির মুখে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচন দিতে বাধ্য হয় সরকার ৷

ওই নির্বাচনে বিপুল বিজয় নিয়ে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ ৷ জননেত্রী শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হন বাংলাদেশের ৷ এর পর টানা চতুর্থ বার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রয়েছে এবং শেখ হাসিনা টানা চতুর্থবার  বারসহ মোট পঞ্চম বার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন ৷
 বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের আলোক পথে সকল বাঁধা পেরিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট