1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
ঢাকা-ইসলামাবাদ সমঝোতা, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে ভারত ঘিরে পাকিস্তানের নতুন বার্তা, - আদালত বার্তা
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাজী নিয়োগে ৩ সদস্যের প্যানেল থেকে সিদ্ধান্তে গড়িমসি বেআইনি—হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ আবেগ নয়, আইনের পথে: মামলা করার আগে পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্ব বাড়ছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘চীন-বাংলাদেশ ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন’ উদ্বোধন: সমুদ্র গবেষণায় নতুন দিগন্ত বিয়ে করে অপরাধ করেননি নাসির-তামিমা: খালাসের রায়, আপিলের ঘোষণা বাদীপক্ষের। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় আজ একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে নাসির-তামিমা-রাকিব মামলায় বিচারের রায় আজ। স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ’লীগ নেতাকর্মীরা: তথ্য উপদেষ্টা স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠার হাইকোর্টের রায় স্থগিত: আপিল শুনানি ১৬ জুন শেখ হাসিনাসহ অনেকেরই আপিলের সময় শেষ, দণ্ডিতদের সামনে এখন কোন পথ? “আইন জানুন, সচেতন থাকুন” — অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে অধিকার রক্ষার আলোয় পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা আসামি সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

ঢাকা-ইসলামাবাদ সমঝোতা, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে ভারত ঘিরে পাকিস্তানের নতুন বার্তা,

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-ইসলামাবাদ সমঝোতা, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে ভারত ঘিরে পাকিস্তানের নতুন বার্তা,

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ৯ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সাম্প্রতিক স্বরাষ্ট্র সহযোগিতা চুক্তি দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা ও মাদক নিয়ন্ত্রণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা, বিমানবন্দর ও বন্দর ব্যবস্থাপনায় কাজ করার সুযোগ তৈরি হওয়াকে অনেক নিরাপত্তা বিশ্লেষক কেবল প্রশাসনিক সহযোগিতা হিসেবে দেখছেন না; বরং এর পেছনে বৃহত্তর কৌশলগত উদ্দেশ্য রয়েছে বলেই মনে করছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে কোনো সরাসরি স্থলসীমান্ত নেই। বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে প্রধানত ভারতের সঙ্গে এবং আংশিকভাবে মিয়ানমারের সঙ্গে। ফলে “সীমান্তে চোরাচালান ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমন” শীর্ষক সহযোগিতা বাস্তবে কোন সীমান্তকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের বিরুদ্ধে বহুমাত্রিক কৌশলগত চাপ তৈরির চেষ্টা করছে। পশ্চিম সীমান্তে পাকিস্তান এবং পূর্বদিকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে ঘিরে ভারতের ওপর নজরদারি বা কৌশলগত চাপ সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। বিশেষ করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতার কারণে সংবেদনশীল অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পাচ্ছে।
তাদের মতে, “মাদক দমন” বা “চোরাচালান প্রতিরোধ” এর মতো ইস্যুকে সামনে রেখে পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও সীমান্ত এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হলে তা ভবিষ্যতে গোয়েন্দা তৎপরতার ক্ষেত্রও তৈরি করতে পারে। এ কারণেই চুক্তিটিকে অনেকেই দক্ষিণ এশিয়ার নতুন কৌশলগত সমীকরণের অংশ হিসেবে দেখছেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকারের বক্তব্য হলো, এটি একটি নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা চুক্তি। সরকারের দাবি, আন্তঃদেশীয় অপরাধ, মানবপাচার ও মাদক চোরাচালান মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সমঝোতা হয়েছে। এখানে কোনো সামরিক বা গোপন কৌশলগত জোটের প্রশ্ন নেই বলেও সরকার স্পষ্ট করেছে।

তবে আঞ্চলিক বাস্তবতায় ভারত-পাকিস্তান বৈরিতার দীর্ঘ ইতিহাসের কারণে বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই দিল্লির নজরে এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করলেও এমন পদক্ষেপ ভবিষ্যতে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

ঢাকা-ইসলামাবাদ স্বরাষ্ট্র সমঝোতা এখন শুধু প্রশাসনিক সহযোগিতার বিষয় নয় বরং এটি দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে ভারতকে ঘিরে পাকিস্তানের নতুন কৌশলগত বার্তা হিসেবেও আলোচিত হচ্ছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট