1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির রিপোর্ট  করায় কারাগারে সম্পাদক - আদালত বার্তা
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির রিপোর্ট  করায় কারাগারে সম্পাদক ২৩ জুনকে ঘিরে নাশকতার আশঙ্কা: ধর্মীয় ইস্যু ব্যবহার করে অস্থিতিশীলতা তৈরির চক্রান্ত—গোয়েন্দা সূত্র রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা, সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথ্যমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যমের পরিবেশ তৈরি করতে ঐক্যবদ্ধ যাত্রা শুরু হয়েছে গাঢ় নীল-খাকি পোশাকে ফিরছে পুলিশ, মহানগরে থাকছে লাইট অলিভ শার্ট ২৩ জুন ঘিরে সংঘাতের শঙ্কা, দেশজুড়ে পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ। একুশ শতকের দক্ষতা অর্জন: আধুনিক সমাজে সফলতার চাবিকাঠি। লিখিত বার পরীক্ষায় সাফল্যের কৌশল আইনজীবী হতে চাইলে প্রস্তুতিতে আনুন কৌশলগত পরিবর্তন বাংলাদেশের আইন পেশার ভবিষ্যৎ: আদালতের বারান্দা থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রযুক্তি, প্রতিযোগিতা ও পরিবর্তনের নতুন বাস্তবতায় বাংলাদেশের আইন পেশা কি নতুন রূপ নিচ্ছে? শিশু রামিসা হত্যা: ফাঁসির ২ আসামির জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করলেন হাইকোর্ট রক্তাক্ত মানুষ, নির্লিপ্ত সমাজ: কমলাপুরের ঘটনা মানবতার সংকটের আরেক নির্মম উদাহরণ

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির রিপোর্ট  করায় কারাগারে সম্পাদক

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

 

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির রিপোর্ট  করায় কারাগারে সম্পাদক

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ১৯ জুন ২০২৬
‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলামকে (৪০) গ্রেফতার করা হয়েছে। বগুড়া ডিবি পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে গাজীপুর উপজেলার গাছা উপজেলার বোর্ড বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। শুক্রবার (১৯ জুন) তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার বিকালে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আতাউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির রিপোর্ট করায় বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ এবং দি নিউনেশন পত্রিকার উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিনিধি তানভীর আলম রিমন গত ১৫ জুন ওই পত্রিকার সম্পাদক-প্রকাশকসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং সদর থানায় মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

মামলার অন্য আসামিরা- দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলাম, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার, বগুড়া প্রতিবেদক মো. শামস এবং বগুড়া জেলা প্রতিনিধি সাব্বির হাসান।

বাদী মামলার আরজিতে উল্লেখ করেছেন, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করে বাদী এবং বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলমের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করেছেন।

গত ১২ জুন বগুড়া প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘সাংবাদিক ছিলেন দাবি করে এবার সাংবাদিকদের উপদেশ দিলেন রাস্তাকাণ্ডে বিতর্কিত প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম’ শিরোনামে একটি পোস্ট প্রচার করা হয়। এছাড়া ১৩ জুন প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সফর উপলক্ষে প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

মামলার বাদী তানভীর আলম তার আবেদনে উল্লেখ করেন, আসামিরা কোনও ধরনের নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব তথ্য প্রচার করেছেন। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুনাম ক্ষুন্ন হওয়ার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। মামলায় বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৫০০, ৫০১, ৫০৪ ও ১০৯ ধারায় অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বাদীর আবেদন ও প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করতে বগুড়া সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। সদর থানা পুলিশ সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ এর বিভিন্ন ধারায় মামলা রেকর্ড করে। পরবর্তীতে মামলাটি বগুড়া ডিবি পুলিশের এসআই রহমাতুল্লাহ মানিককে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বগুড়ার ডিবির ওসি ইকবাল বাহার জানান, তদন্তকারী কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি দল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে গাজীপুর জেলার গাছা উপজেলার বোর্ড বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে এজাহারনামীয় ২নং আসামি দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি গাজীপুরের জয়দেবপুর উপজেলার বসুরা এলাকার জলিল মিয়ার ছেলে। শুক্রবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রহমাতুল্লাহ মানিক জানান, মামলার অপর আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট