বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
Title :
বিচারপতি আশফাকুল ইসলামের বিদায়ী ভাষণে বলেন — “বিচারকের পদ থেকে অবসর নেওয়া যায়, কিন্তু ন্যায়বিচারের আদর্শ থেকে নয়।” শর্টকাটের প্রজন্ম নাকি সংগ্রামের ভবিষ্যৎ? বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ মাসে গড়ে দুই মামলা নিস্পত্তির লক্ষ্য নির্ধারণ কর মামলায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে ঝুঁকছে এনবিআর দেনমোহর আদায়ের নীতিমালা তৈরি করতে হাইকোর্টের রুল চট্টগ্রামে দাফনের মাটিটুকুও গিলে খেয়েছে বন্যা পানিতে ভাসছে অবুঝ শিশু থেকে গবাদিপশু নারী মরদেহের পোস্টমর্টেমে নারী ডোম নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট ত্রাণ বিতরণে বিশৃঙ্খলা: বাস্তবতার স্বীকারোক্তি, নাকি প্রশাসনিক ব্যর্থতার গ্রহণযোগ্যতা? বিক্ষোভে উত্তাল নেপাল, তোপের মুখে বালেন্দ্র শাহ UD Case মানেই হত্যা নয়: অপমৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে আইনের প্রাথমিক অনুসন্ধান প্রক্রিয়া গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির নেতৃত্বে সুব্রত-তারিক

এক সাথে কেন খাবেন? 

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫
  • ৪১৩ বার পড়া হয়েছে

এক সাথে কেন খাবেন? 

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক, সম্পাদক, আদালত বার্তাঃ ১১ জুলাই ২০২৫

পরিবারের সবাই একসাথে খাবার খাওয়ার গুরুত্ব অনেক গভীর ও বহুমাত্রিক। এটি শুধু খাওয়ার একটি সময় নয়, বরং পারিবারিক বন্ধন, মূল্যবোধ এবং মানসিক স্বাস্থ্য গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

১. পারিবারিক বন্ধন মজবুত হয়।
একসাথে খাওয়ার সময় পরিবারের সদস্যরা পরস্পরের সাথে কথা বলেন, দিনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। এটি পারস্পরিক বোঝাপড়া, সহানুভূতি ও ভালোবাসা বাড়ায়।

২. সন্তানদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব:
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত পরিবারের সাথে খায়, তারা স্কুলে ভালো করে, মানসিকভাবে সুস্থ থাকে এবং খারাপ অভ্যাস (যেমন মাদক, ধূমপান) থেকে দূরে থাকে।
এটি শিশুদের মধ্যে সামাজিক দক্ষতা ও ভালো আচরণ গড়ে তোলে।

৩. সুস্থ খাদ্যাভ্যাস গড়ে ওঠে।

পরিবারের সাথে খাওয়ার সময় পুষ্টিকর ও সুষম খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। বাইরে খাবারের প্রতি আসক্তি কমে যায়।

৪. সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ শেখানো যায়।

এই সময়কে ব্যবহার করে শিশুকে ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ শেখানো যায়। এটি প্রজন্মান্তরে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের একটি উপায়।

৫. মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে

নিয়মিত একসাথে খাওয়ার অভ্যাস মানসিক শান্তি আনে। এটি একাকীত্ব ও বিষণ্নতা দূর করে।

৬. সমস্যা সমাধানে সহায়ক।

পরিবারের মধ্যে কোনো সমস্যা থাকলে খাওয়ার সময় খোলামেলা আলোচনা করে সমাধান খোঁজার সুযোগ পাওয়া যায়।

পরিবারের সবাই একসাথে খাওয়া শুধু একটি অভ্যাস নয়, এটি একটি সামাজিক, মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার পথ। ব্যস্ত জীবনেও সপ্তাহে অন্তত কয়েকদিন এই অভ্যাস বজায় রাখলে পরিবার আরও সুসংগঠিত ও সুখী হতে পারে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews