রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন
Title :
জাজমেন্ট লেখার মূল ভিত্তি: ফ্যাক্ট, ল’ ও জুডিশিয়াল এথিকস। চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত খতিয়ানের ভুল সংশোধন সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনা ও কার্য পদ্ধতি  ইনানীতে কাঠের রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: শিশুসহ ৬ পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যু, দগ্ধ ৫ আদালতের দায়িত্ব পালনকালে আইনজীবীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার আদালত অবমাননার শামিল: এলাহাবাদ হাইকোর্ট সৌদিতে কথিত অপরাধে ত্বরিত ফাঁসি, নারী শ্রমিকদের ধর্ষণ ও হত্যার বেলায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি স্পষ্ট কারণ ছাড়া পক্ষ সংযোজনের আদেশ আইনসম্মত নয়: হাইকোর্ট ধর্ম অবমাননার অপবাদ ও ফেসবুক উসকানি: হাসপাতাল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা কামিল পাস শামীমকে পেশার প্রতি ভালোবাসাই আইনজীবীর সবচেয়ে বড় শক্তি বয়স বাড়ে, শরীরের গতি কমে—কিন্তু শেখার আগ্রহ ও ন্যায়বোধ যেন থেমে না যায়।  কক্সবাজারে সন্তান হারানো নিউজিল্যান্ডের পরিবার ৫০ দিন পর ছাড়লো বাংলাদেশ: নৌযানডুবি ও ডাকাত হামলার দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে বিদায় শেকৃবির গবেষণা মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা প্রতিবাদে ফের আন্দোলনে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রেস ক্লাবে মানববন্ধন। 

এক সাথে কেন খাবেন? 

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫
  • ৫৭০ বার পড়া হয়েছে

এক সাথে কেন খাবেন? 

এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক, সম্পাদক, আদালত বার্তাঃ ১১ জুলাই ২০২৫

পরিবারের সবাই একসাথে খাবার খাওয়ার গুরুত্ব অনেক গভীর ও বহুমাত্রিক। এটি শুধু খাওয়ার একটি সময় নয়, বরং পারিবারিক বন্ধন, মূল্যবোধ এবং মানসিক স্বাস্থ্য গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
•
১. পারিবারিক বন্ধন মজবুত হয়।
একসাথে খাওয়ার সময় পরিবারের সদস্যরা পরস্পরের সাথে কথা বলেন, দিনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। এটি পারস্পরিক বোঝাপড়া, সহানুভূতি ও ভালোবাসা বাড়ায়।

২. সন্তানদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব:
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত পরিবারের সাথে খায়, তারা স্কুলে ভালো করে, মানসিকভাবে সুস্থ থাকে এবং খারাপ অভ্যাস (যেমন মাদক, ধূমপান) থেকে দূরে থাকে।
এটি শিশুদের মধ্যে সামাজিক দক্ষতা ও ভালো আচরণ গড়ে তোলে।

৩. সুস্থ খাদ্যাভ্যাস গড়ে ওঠে।

পরিবারের সাথে খাওয়ার সময় পুষ্টিকর ও সুষম খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। বাইরে খাবারের প্রতি আসক্তি কমে যায়।

৪. সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ শেখানো যায়।

এই সময়কে ব্যবহার করে শিশুকে ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ শেখানো যায়। এটি প্রজন্মান্তরে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের একটি উপায়।

৫. মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে

নিয়মিত একসাথে খাওয়ার অভ্যাস মানসিক শান্তি আনে। এটি একাকীত্ব ও বিষণ্নতা দূর করে।

৬. সমস্যা সমাধানে সহায়ক।

পরিবারের মধ্যে কোনো সমস্যা থাকলে খাওয়ার সময় খোলামেলা আলোচনা করে সমাধান খোঁজার সুযোগ পাওয়া যায়।
•
পরিবারের সবাই একসাথে খাওয়া শুধু একটি অভ্যাস নয়, এটি একটি সামাজিক, মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার পথ। ব্যস্ত জীবনেও সপ্তাহে অন্তত কয়েকদিন এই অভ্যাস বজায় রাখলে পরিবার আরও সুসংগঠিত ও সুখী হতে পারে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট