বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন
Title :
অসময়ে উঁকি দিচ্ছে রূপসী কাঞ্চনজঙ্ঘা: পঞ্চগড়ে প্রকৃতিপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড় ঢাকার আদালতকে উত্তর ও দক্ষিণে বিভক্ত করতে হাইকোর্টে রিট। জরুরি প্রস্তুতিতে খাবার-পানি মজুদের হিড়িক: আসন্ন কোনো বিপর্যয়, নাকি বৈশ্বিক আত্মরক্ষার আগাম কৌশল শৃঙ্খল ভেঙে সাফল্যের শিখরে ব্যারিস্টার আঞ্জুমান আরা লিমার হার না মানা জীবনযুদ্ধ সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলা: রিমান্ডে দিশা আইনজীবী হলেই জনস্বার্থের দোহাই দিয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা যায় না: হাইকোর্ট মিরপুরে ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, এলাকা রণক্ষেত্র শুধু নথিপত্র যাচাইয়ের অজুহাতে পুরোনো কর নির্ধারণ পুনরায় খোলার সুযোগ নেই: হাইকোর্ট ডিজিটালাইজেশন ও আইনজীবী কল্যাণে ঢাকা ট্যাক্সেস বার: ওকালতনামায় কিউআর কোড সংযোজন, চিকিৎসা সুবিধা ও স্থায়ী ঠিকানার স্বপ্নপূরণ পুলিশের ধাওয়ায় তুরাগে ঝাঁপ দিয়েছিলেন তাহসিফ? দীপের বক্তব্যে নতুন তথ্য, পুরোপুরি আশ্বস্ত নয় পিবিআই

কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের ৫৭ জন শহীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভুক্তিকরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০২২
  • ১২৩২ বার পড়া হয়েছে

কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের ৫৭ জন শহীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভুক্তিকরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সংবাদ সম্মেলন

১৯৭১ সনে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কেরানীগঞ্জের তারানগর ইউনিয়নে ২৫ নভেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার ৫৭ জন শহীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তালিকাভুক্তিকরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সম্মেলনে শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি
উত্থাপনকারী হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহের আলী।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ৫৭ জন শহীদ পরিবারের ওয়ারিশদের পক্ষ থেকে যে দাবিগুলো তুলে ধরেন তিনি
—- ৫৭ জন শহীদের তালিকাভুক্ত করে শহীদের নাম সরকারি ভাবে গেজেট ভুক্ত করতে হবে।
—-শহীদের গণকবর নিশ্চিত জায়গাটি রাষ্ট্রীয় ভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
——শহীদ পরিবারের সদস্যগন/ ওয়ারিশগনকে রাষ্ট্রীয় ভাবে যে সমস্ত সুযোগ সুবিধা প্রাপ্ত হন তা প্রদানের ব্যবস্তা করতে হবে।
—— ২৫ নভেম্বর ঘাটারচর সংগঠিত নৃশংস হত্যা কান্ডের শিকার সেই সমস্ত শহীদের স্মরনে দিবসটি পালনে প্রশাসনের উদ্যোগে ও শহীদ পরিবারের সদস্য নিয়ে তাদের স্মরন করা।
—-শহীদের স্মরনে একটি পাঠাগার নির্মানের ব্যবস্তা করা।
——যে সমস্ত শহীদ পরিবারের সদস্যগন দুস্হ, আসহায় ও দারিদ্র্যপীরিত তাদেরকে আর্থিক ভাবে সহায়তা প্রদান করা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট