রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন
Title :
আইনজীবীদের আটক নিয়ে উত্তাল সুপ্রিম কোর্ট চত্বর, প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপে মিলল মুক্তি অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তচিন্তার সংকোচন: রাষ্ট্র, সমাজ ও সংস্কৃতির গভীর সংকট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপ, জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ মানবপাচার দমনে অগ্রগতির স্বীকৃতি, তবু টিয়ার-২ তালিকায় বাংলাদেশ জান্নাতুল তাজমীনের মৃত্যু কি আমাদের বিবেককে জাগাবে? ১৩ সেনা হত্যা: সাবেক মার্কিন মেজর নিদালের মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডে, করা হবে সরাসরি সম্প্রচার ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি স্বাক্ষর: ১৫ বছর এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব পেল আমিরাতের প্রতিষ্ঠান ফ্রিল্যান্সিং খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিপ্লব: টিকে থাকতে ফ্রিল্যান্সারদের করণীয় কী? প্রশিক্ষণ নিতে জাপান যাচ্ছেন ১৭ বিচারক ও ৬ আইনজীবী নস্টালজিয়ার এক ঝলক: পুরান ঢাকায় যখন দাপিয়ে বেড়াত ঐতিহ্যবাহী ‘মুড়ির টিন’

আইনজীবীদের আটক নিয়ে উত্তাল সুপ্রিম কোর্ট চত্বর, প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপে মিলল মুক্তি

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৯ বার পড়া হয়েছে

আইনজীবীদের আটক নিয়ে উত্তাল সুপ্রিম কোর্ট চত্বর, প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপে মিলল মুক্তি

​আন্তর্জাতিক ডেক্স,  আদালত বার্তা 

১১ই অক্টোবর ২০২৬ 

 মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আয়োজিত এক প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শনিবার উত্তাল হয়ে উঠল রাজধানী। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের খোদ চেম্বার থেকে টেনেহিঁচড়ে আটক করার গুরুতর অভিযোগ উঠল দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে। যদিও শনিবার আদালতের ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের জরুরি হস্তক্ষেপে অবশেষে সসম্মানে মুক্তি পেলেন আটক আইনজীবীরা।

​ঘটনার সূত্রপাত শনিবার সকালে, যখন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র ডাকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছিল। সুপ্রিম কোর্ট চত্বর থেকে বেরিয়ে ওই বিক্ষোভে শামিল হওয়া আইনজীবীদের প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। আইনজীবীদের অভিযোগ, ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় তাঁদের গায়ে হাত দেওয়ার বা জোরপূর্বক আটক করার কোনও অধিকার পুলিশের নেই। তা সত্ত্বেও পুলিশ তাঁদের প্রিজন ভ্যানে তোলে।

​এই নজিরবিহীন ঘটনার প্রতিবাদে এবং আটক আইনজীবীদের মুক্তির দাবিতে তড়িঘড়ি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় ‘সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন’ (এসসিবিএ)। ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও জরুরি ভিত্তিতে প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন জানানো হয়। পাশাপাশি, বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়।

​গোটা পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবগত হওয়ার পর এক মুহূর্তও দেরি করেননি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তিনি অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং আটক সমস্ত আইনজীবীকে সসম্মানে ছেড়ে দেওয়ার কড়া নির্দেশ দেন। সুপ্রিম কোর্ট অ্যাডভোকেটস-অন-রেকর্ড অ্যাসোসিয়েশন-এর প্রেসিডেন্ট, আইনজীবী দেবরাট পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতির এই হস্তক্ষেপ এবং আইনজীবীদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

​আইনজীবীদের আটকের পাশাপাশি শনিবার সকাল থেকেই সিজেপি-র এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নজিরবিহীন ধরপাকড় চালায় প্রশাসন। রাজনৈতিক নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহলের বিশিষ্ট প্রতিনিধিদের আটক করা হয়। পুলিশি পদক্ষেপের জেরে চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী— পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কেরলের পিনারাই বিজয়ন, ত্রিপুরার মানিক সরকার এবং দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের আটকের ঘটনায় পুলিশি অতিসক্রিয়তা নিয়ে আইনি মহলে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট