সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪১ অপরাহ্ন
Title :
চট্টগ্রামে দাফনের মাটিটুকুও গিলে খেয়েছে বন্যা পানিতে ভাসছে অবুঝ শিশু থেকে গবাদিপশু নারী মরদেহের পোস্টমর্টেমে নারী ডোম নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট ত্রাণ বিতরণে বিশৃঙ্খলা: বাস্তবতার স্বীকারোক্তি, নাকি প্রশাসনিক ব্যর্থতার গ্রহণযোগ্যতা? বিক্ষোভে উত্তাল নেপাল, তোপের মুখে বালেন্দ্র শাহ UD Case মানেই হত্যা নয়: অপমৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে আইনের প্রাথমিক অনুসন্ধান প্রক্রিয়া গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির নেতৃত্বে সুব্রত-তারিক রাষ্ট্র, রাজনীতি ও আইন অঙ্গনের প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিত্ব ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের প্রয়াণে শোকের ছায়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হৃদয়ে সম্প্রীতির আলোকবর্তিকা: গুরুদুয়ারা নানকশাহী বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা সংস্কারে আরও তহবিল দিচ্ছে সুইডেন ও ইউএনডিপি

বিএনপি আমলে নিয়োগ পাওয়া ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল করা আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৪৩৩ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি আমলে নিয়োগ পাওয়া ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল করা আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
মোহাম্মদ এনামুল হক আদালত বার্তাঃ ২২ জানুয়ারি ২০২৩।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিয়োগ পাওয়া ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল করে দেওয়া আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির সই করা ২৯ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়।

চারদলীয় জোট সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার নিয়োগ পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত বাতিল করে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর রায় দেন আপিল বিভাগ। সেদিন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ইসিতে ২০০৫ সালে ৩২০ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার নিয়োগ দলীয় বিবেচনায় হয়েছে বলে সমালোচনা হলেও তৎকালীন কমিশন এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। পরে ২০০৭ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ইসিকে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করে। ওই সময় এটিএম শামসুল হুদার কমিশন ৩২০ কর্মকর্তার যোগ্যতা মূল্যায়নে পরীক্ষা নেয়। এতে ৮৫ কর্মকর্তা পাস করতে না পারায় তাদের নিয়োগ বাতিল করা হয়। পরে ওই কর্মকর্তারা আদালতে গেলে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল আদালত ২০১০ সালে ১২ এপ্রিল তাদের পুনর্বহাল করতে বলেন। আদেশের পরদিন ১৩ মে ৮৫ কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে ইসি।

আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ৪টি লিভ টু আপিল করলে ২০১০ সালের ২৯ এপ্রিল এর কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়। এছাড়া আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানির জন্য পাঠানো হয়। এরপর শুনানি শেষে ২০১০ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশটি বাতিল করে রায় দেন সুপ্রিম কোর্ট। এরপর ২০১১ সালে পৃথক আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews