বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
Title :
ক্ষমতা বদলায়, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে:  ব্যক্তি নয়, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রের রক্ষাকবচ। তথ্য গোপন করে একাধিক রিট: আইনজীবী ও রিটকারীকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির বাদানুবাদ: এজলাস ছাড়লেন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রা খরচের সীমা বেড়ে ১৮ হাজার ডলার দেওয়ানি মামলায় আরজি সংশোধন: আইনি সুযোগ, সীমাবদ্ধতা এবং উচ্চ আদালতের নজির ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে ১০ মিনিট কথা বলতে পারবেন কারাবন্দিরা কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের অগ্রিম হোটেল বুকিংয়ের পরামর্শ: উপ-হাইকমিশনের বিশেষ নির্দেশনা বিচারকদের আবাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৬৪ জেলা ও ৮ মহানগরে আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইকমিশনের জরুরি সতর্কবার্তা ‘গ্যারান্টিযুক্ত ভিসা’ ও ‘দ্রুত প্রসেসিং’-এর নামে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান

বিএনপি আমলে নিয়োগ পাওয়া ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল করা আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৪৯০ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি আমলে নিয়োগ পাওয়া ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল করা আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
মোহাম্মদ এনামুল হক আদালত বার্তাঃ ২২ জানুয়ারি ২০২৩।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিয়োগ পাওয়া ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল করে দেওয়া আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির সই করা ২৯ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়।

চারদলীয় জোট সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার নিয়োগ পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত বাতিল করে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর রায় দেন আপিল বিভাগ। সেদিন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ইসিতে ২০০৫ সালে ৩২০ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার নিয়োগ দলীয় বিবেচনায় হয়েছে বলে সমালোচনা হলেও তৎকালীন কমিশন এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। পরে ২০০৭ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ইসিকে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করে। ওই সময় এটিএম শামসুল হুদার কমিশন ৩২০ কর্মকর্তার যোগ্যতা মূল্যায়নে পরীক্ষা নেয়। এতে ৮৫ কর্মকর্তা পাস করতে না পারায় তাদের নিয়োগ বাতিল করা হয়। পরে ওই কর্মকর্তারা আদালতে গেলে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল আদালত ২০১০ সালে ১২ এপ্রিল তাদের পুনর্বহাল করতে বলেন। আদেশের পরদিন ১৩ মে ৮৫ কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে ইসি।

আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ৪টি লিভ টু আপিল করলে ২০১০ সালের ২৯ এপ্রিল এর কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়। এছাড়া আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানির জন্য পাঠানো হয়। এরপর শুনানি শেষে ২০১০ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশটি বাতিল করে রায় দেন সুপ্রিম কোর্ট। এরপর ২০১১ সালে পৃথক আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট