মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন
Title :
জরুরি প্রস্তুতিতে খাবার-পানি মজুদের হিড়িক: আসন্ন কোনো বিপর্যয়, নাকি বৈশ্বিক আত্মরক্ষার আগাম কৌশল শৃঙ্খল ভেঙে সাফল্যের শিখরে ব্যারিস্টার আঞ্জুমান আরা লিমার হার না মানা জীবনযুদ্ধ সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরি হত্যা মামলা: রিমান্ডে দিশা আইনজীবী হলেই জনস্বার্থের দোহাই দিয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা যায় না: হাইকোর্ট মিরপুরে ন্যূনতম মজুরির দাবিতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ: পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, এলাকা রণক্ষেত্র শুধু নথিপত্র যাচাইয়ের অজুহাতে পুরোনো কর নির্ধারণ পুনরায় খোলার সুযোগ নেই: হাইকোর্ট ডিজিটালাইজেশন ও আইনজীবী কল্যাণে ঢাকা ট্যাক্সেস বার: ওকালতনামায় কিউআর কোড সংযোজন, চিকিৎসা সুবিধা ও স্থায়ী ঠিকানার স্বপ্নপূরণ পুলিশের ধাওয়ায় তুরাগে ঝাঁপ দিয়েছিলেন তাহসিফ? দীপের বক্তব্যে নতুন তথ্য, পুরোপুরি আশ্বস্ত নয় পিবিআই একসঙ্গে দুই পেশা: সরাইল থানার ওসির বিরুদ্ধে আইনজীবী সমিতির শোকজ মানবতাবিরোধী অপরাধ: সালমান-জিয়াউলদের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন বার কাউন্সিলে নাকচ

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিলের রিট খারিজ করলেন হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৭০ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিলের রিট খারিজ করলেন হাইকোর্ট

​নিজস্ব প্রতিবেদক, আদালত বার্তা,ঢাকা, ৩১ আগস্ট ২০২৬

​দণ্ডবিধির ১২৪(ক) ধারা বা রাষ্ট্রদ্রোহ আইনকে সংবিধানবিরোধী ও বাতিলযোগ্য ঘোষণা চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

​আদালতে রিট আবেদনটির পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। রিট খারিজ হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে তারা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করবেন।

​এর আগে দণ্ডবিধির ১২৪(ক) ধারা বা রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন তিনি।

​বিতর্কিত এই আইনে বলা হয়েছে— কোনো ব্যক্তি যদি লিখিত বা উচ্চারিত কথা, উক্তি, চিহ্নাদি বা দৃশ্যমান কোনো প্রতীকের সহায়তায় অথবা অন্য কোনোভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে বৈধভাবে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে, অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে ওই ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এর সাথে অর্থদণ্ডও যোগ করা যাবে।

​রিট আবেদনে বলা হয়েছিল, এই রাষ্ট্রদ্রোহ আইনের মাধ্যমে নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারের বিরুদ্ধে মতপ্রকাশের অধিকার প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে।

​রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রদ্রোহিতার এই আইনটি মূলত ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলের একটি আইন। সে সময়কার স্বাধীনতা আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে এটি প্রণীত হয়েছিল, যা বর্তমান স্বাধীন দেশের একটি গণতান্ত্রিক সংবিধানের সঙ্গে পুরোপুরি অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট