শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন
Title :
“ওকালতি পেশার মূলমন্ত্র হলো গুরু শিক্ষা” আইনজীবীর মাথা ফাটানো বিচারককে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার উদ্যোগ ঢাকার ৪১৬ বছরপূর্তি উপলক্ষে  ‘হৃদয়ে ঢাকা’ কর্মসূচিতে ঐতিহ্য ও নাগরিক চেতনার নতুন উদযাপন আইনজীবীর মাথায় পেপার ওয়েট ছুড়ে বিচারিক ক্ষমতা হারালেন সেই বিচারক যে কারণে পদত্যাগ করতে হচ্ছে রাষ্ট্রপতিকে, জানা গেল কারণ এক বছরে ২৫ লাখে মামলা কমানোর চেষ্টা সরকারের: আইনমন্ত্রী আলোচনায় হাসিনার দেশে ফেরা চলছে নানা গুঞ্জন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবেন না, জানালো ইসি  সাংবাদিকতার পেশায় আইনি জ্ঞান ও পেশাগত দায়বদ্ধতা: সত্য অনুসন্ধানের অপরিহার্য ভিত্তি এমপি নজরুল ইসলামের আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে, অবশেষে যে সিদ্ধান্ত নিলো জামায়াত

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে বিচারকরা ঐক্যবদ্ধ।

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০৪ বার পড়া হয়েছে

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে বিচারকরা ঐক্যবদ্ধ।

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ১২ এপ্রিল ২০২৬
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ রহিত করার প্রস্তাব উঠলেও সচিবালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে অধস্তন আদালতের বিচারকরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন। রোববার এক বিবৃতিতে এ অবস্থান জানায় বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এবং সপ্তদশ বিজেএস (বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস) ফোরাম।
বিবৃতিতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে বিচারকদের মধ্যে কোনো ধরনের বিভক্তি নেই। বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক স্বাধীনতা, জবাবদিহি এবং কার্যকর প্রশাসনিক কাঠামো নিশ্চিত করতে অ্যাসোসিয়েশনের সব সদস্য সচিবালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ
২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। পরবর্তী মাসে সচিবালয়ের উদ্বোধন করা হয়। পৃথক এই সচিবালয়ের জন্য ইতোমধ্যে একজন সচিব, ১৫ জন জুডিশিয়াল অফিসার এবং ১৯ জন স্টাফ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ও এর সংশোধনী রহিত করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি।
এ প্রেক্ষাপটে জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন তাদের বিবৃতিতে জানায়, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। যথাযথ পর্যালোচনা শেষে অধ্যাদেশটি দ্রুত আইনে পরিণত হবে বলে প্রত্যাশা তাদের।
অন্যদিকে, সপ্তদশ বিজেএস ফোরাম এক বিবৃতিতে জানায়, বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা, মর্যাদা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিশ্চিত করতে সদ্য প্রতিষ্ঠিত সচিবালয়ের কাঠামোকে তারা স্বাগত জানায়। একই সঙ্গে এর কার্যকর বাস্তবায়ন ও ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জেলা আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি, ছুটি এবং অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয় নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণমুক্ত রেখে সম্পূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের আওতায় ন্যস্ত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি সচিবালয়কে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতায় সক্ষম করার ওপরও জোর দেওয়া হয়।
বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের কার্যকর পৃথকীকরণ, বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আদালতের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিচার প্রশাসনের আধুনিকায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।
বিচারকরা যেন নির্ভয়ে, স্বাধীনভাবে ও ন্যায়নিষ্ঠভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন—এমন পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করা হয়। সপ্তদশ বিজেএস ব্যাচের বিচারকরা আশা প্রকাশ করেছেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অগ্রযাত্রা কোনো প্রশাসনিক, রাজনৈতিক বা প্রাতিষ্ঠানিক বাধায় ব্যাহত হবে না।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews