বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
Title :
আইনজীবীর মাথায় পেপার ওয়েট ছুড়ে বিচারিক ক্ষমতা হারালেন সেই বিচারক যে কারণে পদত্যাগ করতে হচ্ছে রাষ্ট্রপতিকে, জানা গেল কারণ এক বছরে ২৫ লাখে মামলা কমানোর চেষ্টা সরকারের: আইনমন্ত্রী আলোচনায় হাসিনার দেশে ফেরা চলছে নানা গুঞ্জন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবেন না, জানালো ইসি  সাংবাদিকতার পেশায় আইনি জ্ঞান ও পেশাগত দায়বদ্ধতা: সত্য অনুসন্ধানের অপরিহার্য ভিত্তি এমপি নজরুল ইসলামের আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে, অবশেষে যে সিদ্ধান্ত নিলো জামায়াত আইনজীবীদের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রধান বিচারপতির কঠোর উদ্বেগ বিচারকের সই-সিল জাল : আইনজীবীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: তারেক রহমান

আইনজীবীর মাথায় পেপার ওয়েট ছুড়ে বিচারিক ক্ষমতা হারালেন সেই বিচারক

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

আইনজীবীর মাথায় পেপার ওয়েট ছুড়ে বিচারিক ক্ষমতা হারালেন সেই বিচারক
  নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ২৩, জুলাই ২০২৬
ছবি: বিচারক মো. সুজন মিয়ার ছুড়ে মারা কাঁচের পেপার ওয়েটে আহত শিক্ষানবীস আইনজীবি সাবিহা সুলতানা (প্রতিনিধি)।
গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের এজলাসে শিক্ষানবীশ এক নারী আইনজীবীর মাথায় কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারার অভিযোগ উঠেছে বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার বিচারিক ক্ষমতা (কগনিজেন্স পাওয়ার) প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। 
গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত শিক্ষানবীশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানা জানান, বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের এজলাস চলাকালে বিচারক মো. সুজন মিয়া তার দিকে একটি কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি তার মাথায় আঘাত করলে তিনি রক্তাক্ত হন। ওই সময় তিনি আইনজীবীদের জন্য নির্ধারিত বেঞ্চে বসে মামলার নথি দেখছিলেন। পরে উপস্থিত আইনজীবীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী এক নারী ও এক পুরুষ আইনজীবী অভিযোগ করেন, বিচারক সুজন মিয়ার আদালতে যেতে তারা ভয় পান। তাদের দাবি, এজলাস চলাকালে তিনি প্রায়ই আইনজীবীদের সঙ্গে অপমানজনক আচরণ করেন, যা একজন বিচারকের কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলম সেলিম বলেন, ‘এটি অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। একজন বিচারকের কাছ থেকে এমন আচরণ মোটেও প্রত্যাশিত নয়। ঘটনার পর আমরা বিষয়টি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করেছি।’
তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট বিচারককে বিচারিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার এখতিয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেই, এ সিদ্ধান্ত উচ্চ আদালতের। তবে আপাতত ওই আদালতের কার্যক্রম অন্য একজন বিচারকের মাধ্যমে পরিচালনার দাবি জানানো হলে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তা মেনে নিয়েছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews