শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
Title :
কেরানীগঞ্জে যুব মহিলা লীগ নেত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার নিজ ফ্ল্যাটে গলা ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্ত দীর্ঘ অবকাশ শেষে সুপ্রিম কোর্টে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু ২৫ অক্টোবর বিজ্ঞ আইনজীবীদের জন্য শনিবার খোলা থাকবে অ্যাটর্নি-জেনারেলের কার্যালয় পাহাড়ের সৌন্দর্যের আড়ালে নিরাপত্তার নেপথ্য প্রহরা বর্ডার পার হওয়ার আগে অবশ্যই পোর্ট ট্যাক্স ও ভ্রমণ কর সঙ্গে রাখবেন সেনাপ্রধানের সেন্ট মার্টিন সফর ঘিরে প্রশ্ন, গভীর সমুদ্রে যাওয়ার খবরের স্বাধীন যাচাই হয়নি চীনা কোম্পানির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব: তিন দশকের ফাইলবন্দি খানজাহান আলী বিমানবন্দর প্রকল্পে নতুন গতি ফ্রান্সের অস্থিরতা: গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ কোথায় শেষ, নৈরাজ্য কোথায় শুরু? সৌরবিদ্যুৎ সুরক্ষায় কঠোর শাস্তির বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি: চুরি ও নাশকতায় কারাদণ্ড-অর্থদণ্ড আশুলিয়ায় মরদেহ পোড়ানোর মামলা: রাজসাক্ষী হওয়ায় ক্ষমা পেয়ে কারামুক্ত সাবেক এসআই আবজালুল স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ইসির সময়সূচি জারি নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি ও এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

আইনজীবীর মাথায় পেপার ওয়েট ছুড়ে বিচারিক ক্ষমতা হারালেন সেই বিচারক

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

আইনজীবীর মাথায় পেপার ওয়েট ছুড়ে বিচারিক ক্ষমতা হারালেন সেই বিচারক
  নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ২৩, জুলাই ২০২৬
ছবি: বিচারক মো. সুজন মিয়ার ছুড়ে মারা কাঁচের পেপার ওয়েটে আহত শিক্ষানবীস আইনজীবি সাবিহা সুলতানা (প্রতিনিধি)।
গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের এজলাসে শিক্ষানবীশ এক নারী আইনজীবীর মাথায় কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারার অভিযোগ উঠেছে বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার বিচারিক ক্ষমতা (কগনিজেন্স পাওয়ার) প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। 
গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত শিক্ষানবীশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানা জানান, বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের এজলাস চলাকালে বিচারক মো. সুজন মিয়া তার দিকে একটি কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি তার মাথায় আঘাত করলে তিনি রক্তাক্ত হন। ওই সময় তিনি আইনজীবীদের জন্য নির্ধারিত বেঞ্চে বসে মামলার নথি দেখছিলেন। পরে উপস্থিত আইনজীবীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী এক নারী ও এক পুরুষ আইনজীবী অভিযোগ করেন, বিচারক সুজন মিয়ার আদালতে যেতে তারা ভয় পান। তাদের দাবি, এজলাস চলাকালে তিনি প্রায়ই আইনজীবীদের সঙ্গে অপমানজনক আচরণ করেন, যা একজন বিচারকের কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলম সেলিম বলেন, ‘এটি অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। একজন বিচারকের কাছ থেকে এমন আচরণ মোটেও প্রত্যাশিত নয়। ঘটনার পর আমরা বিষয়টি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করেছি।’
তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট বিচারককে বিচারিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার এখতিয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেই, এ সিদ্ধান্ত উচ্চ আদালতের। তবে আপাতত ওই আদালতের কার্যক্রম অন্য একজন বিচারকের মাধ্যমে পরিচালনার দাবি জানানো হলে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তা মেনে নিয়েছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট