মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৯ পূর্বাহ্ন
Title :
গ্রেপ্তারের আগে পরোয়ানার সত্যতা যাচাই করুন: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হাইকোর্টের ঐতিহাসিক নির্দেশ শিক্ষানবিশ আইনজীবী গ্রহণে সর্বোচ্চ ৮ জন ৬ মাসের পিউপিলেজ যথাযথভাবে সম্পন্নে বার কাউন্সিলের কঠোর নির্দেশনা ড. এস জয়শঙ্কর ও কিয়োকো: টোকিওর বসন্তে বোনা এক অনন্য ভালোবাসার গল্প ব্যাংক কর্মকর্তাকে হেনস্তা: ‘মোবাইল সাংবাদিকতা’ নিয়ন্ত্রণে আইনি নোটিশ ১০ বছরের মধ্যে এআই ‘সবাইকে মেরে ফেলবে’, প্রযুক্তিবিদের সতর্কবার্তায় তোলপাড় আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ধর্মঘট-হরতাল ডাকা অবৈধ: হাইকোর্ট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা রিট হাইকোর্টে খারিজ দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন: অন্যের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ ও বাণিজ্য অবরোধ বন্ধের কড়া বার্তা শি জিনপিংয়ের জোরপূর্বক পদত্যাগ বৈধ নয়: হাইকোর্ট মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে হারালে দল মেনে নেবে না: আইনমন্ত্রী

তিন মূল লক্ষ্যকে সমনে রেখে সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান।

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩২৫ বার পড়া হয়েছে

তিন মূল লক্ষ্যকে সমনে রেখে সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান।

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ৫ জানুয়ারি ২০২৬

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান।

রোববার কক্সবাজারে জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক সভায় এই আগাম তথ্য জানান তিনি।

মো. সানাউল্লাহ জানান, আজকের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারি হয়ে যাবে। সেই পরিপত্রে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো তিনি তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, এখন থেকে যৌথবাহিনীর অপারেশন শুরু হবে সারাদেশে। সকল বাহিনী প্রধানদেরকে নিয়ে নির্বাচন কমিশনে এরইমধ্যে মিটিং হয়েছে। এ বিষয়ে সকল হেডকোয়ার্টার অবগত।

এই নির্বাচন কমিশনার জানান, যৌথবাহিনীর অভিযানের মূল লক্ষ্য হবে তিনটি। এক. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার। নির্বাচন সামনে রেখে যে অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ আছে, সেগুলো উদ্ধার করা। যেগুলোকে উদ্ধার করা সম্ভব না, সেগুলো যেন কোনো অপকর্মে ব্যবহৃত না হয়। 

মো. সানাউল্লাহ আরও বলেন, দুই নম্বর বিষয় হচ্ছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসা। আর তিনে নির্বাচনকেন্দ্রিক দল এবং প্রার্থীর যে আচরণবিধি আছে, সেই আচরণবিধির বড় কোনো ব্যত্যয় ঘটলে তা যৌথবাহিনী দেখবে। ছোটখাটো ব্যত্যয় রুটিন যেসব কমিটি আছে তারা দেখবে বলেও জানান তিনি।

রেহিঙ্গাদের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক করেন ইসি সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ক্যাম্পগুলো সিল করে দিতে হবে। স্থল সীমান্ত ও সাগরপথেও নজরদারি বাড়াতে হবে। যাতে কোনোভাবেই দুষ্কৃতিকারীরা এগুলো ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট