বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
Title :
ভিসা না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, ৪ আসামি রিমান্ডে ডিবি কর্মকর্তা নাজমুলসহ ৪ জনকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ। তালাকের অজুহাতে সন্তানের ভরণপোষণ বন্ধ করা যাবে না: হাইকোর্ট বিচারপতি আশফাকুল ইসলামের বিদায়ী ভাষণে বলেন — “বিচারকের পদ থেকে অবসর নেওয়া যায়, কিন্তু ন্যায়বিচারের আদর্শ থেকে নয়।” শর্টকাটের প্রজন্ম নাকি সংগ্রামের ভবিষ্যৎ? বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ মাসে গড়ে দুই মামলা নিস্পত্তির লক্ষ্য নির্ধারণ কর মামলায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে ঝুঁকছে এনবিআর দেনমোহর আদায়ের নীতিমালা তৈরি করতে হাইকোর্টের রুল চট্টগ্রামে দাফনের মাটিটুকুও গিলে খেয়েছে বন্যা পানিতে ভাসছে অবুঝ শিশু থেকে গবাদিপশু নারী মরদেহের পোস্টমর্টেমে নারী ডোম নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট ত্রাণ বিতরণে বিশৃঙ্খলা: বাস্তবতার স্বীকারোক্তি, নাকি প্রশাসনিক ব্যর্থতার গ্রহণযোগ্যতা?

ভিসা না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, ৪ আসামি রিমান্ডে

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ভিসা না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, ৪ আসামি রিমান্ডে
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬
ভিসা না দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ৯১ শিক্ষার্থীর আট কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলার মূল হোতা মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ, যিনি মো. মতিউর রহমান নামেও পরিচিত, এবং তার সঙ্গে আরও তিন আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকা শহরের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এই শুনানি শেষে আদেশ দেন। পুলিশ হেফাজতে থাকা এই সকল আসামিদের নির্দিষ্ট সময়ে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
আদালতে উপস্থিত ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা এই আসামিদের উপর হামলা চালান। রিমান্ডে যাওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রাবেয়া খাতুন তানিয়া, সাইদুর রহমান এবং মো. তানজির ইসলাম। তানজিরের জন্য চার দিনের এবং বাকি তিন আসামির জন্য পাঁচ দিনের রিমানন্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
পুলিশের হেফাজত থেকে বের করে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, যিনি ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. বিল্লাল ভূইয়া, আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন। পরে পুলিশ প্রহরায় আসামিদের আদালতে আনা হয় এবং এ সময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্দেশ্যে গালাগাল করতে থাকেন।
আদালতের বারান্দায় আসামিদের নিলে কয়েকজন হামলার চেষ্টা করেন। আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম মর্তুজা ইবনে ইসলাম রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এরপর পুলিশ প্রহরায় আসামিদের হেলমেট, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হাতকড়া পরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাজতখানায় নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ তুলে হামলা চালান। তখন পকেট গেট দিয়ে তাদের হাজতখানার ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এর আগে তারা হাজতখানার প্রধান গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। অনেকেই লাথি মেরে পুলিশের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর, বাদীপক্ষের আইনজীবী রুহুল আমিন মোল্লাসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে শান্ত করেন।
আদালতের বারান্দায় আসামিদের নিলে কয়েকজন হামলার চেষ্টা করেন। আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম মর্তুজা ইবনে ইসলাম রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এরপর পুলিশ প্রহরায় আসামিদের হেলমেট, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হাতকড়া পরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাজতখানায় নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ তুলে হামলা চালান। তখন পকেট গেট দিয়ে তাদের হাজতখানার ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এর আগে তারা হাজতখানার প্রধান গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। অনেকেই লাথি মেরে পুলিশের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর, বাদীপক্ষের আইনজীবী রুহুল আমিন মোল্লাসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে শান্ত করেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews