
আদালত বার্তা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬
পরিবেশ সংরক্ষণ ফি ১০০ টাকা; ট্রাভেল পাস বাধ্যতামূলক হলেও সমন্বয় করবে জাহাজ কর্তৃপক্ষ
বিশেষ প্রতিবেদক, আদালত বার্তা:
দীর্ঘ বিরতির পর আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন। দ্বীপটির সংবেদনশীল বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় এবার দৈনিক পর্যটক উপস্থিতির সীমা নির্ধারণ এবং পরিবেশগত একাধিক বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়েছে। আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকরা সেখানে যাতায়াত এবং রাত্রিযাপন করতে পারবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার (৩,৫০০) পর্যটক সেন্ট মার্টিন ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। একইসঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তরের গাইডলাইন অনুযায়ী প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি প্রদান করতে হবে। পর্যটকদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও দ্বীপের পরিবেশ সুরক্ষায় জারি করা নির্দেশনাসমূহ বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন ও ট্যুরিজম বোর্ড সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
১. অগ্রিম জাহাজ টিকিট সংগ্রহ
দ্বীপে দৈনিক পর্যটক সংখ্যা সীমিত থাকায় শেষ মুহূর্তের জটিলতা এড়াতে ভ্রমণের দিন-তারিখ চূড়ান্ত করে আগেই জাহাজের টিকিট নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক প্রায়।
২. চলাচলকারী নৌযান ও রুট
চলতি মৌসুমে কক্সবাজার–সেন্ট মার্টিন নৌপথে এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, বে-ক্রুজার ১, এমভি বারো আউলিয়া ও কেয়ারি সিন্দাবাদসহ অনুমোদিত জাহাজগুলো চলাচল করবে। নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও প্রশাসনের চূড়ান্ত অনুমোদনপ্রাপ্ত তালিকা যাচাই করে টিকিট নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
৩. টিকিট বুকিং পদ্ধতি
অনুমোদিত জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের দাপ্তরিক ওয়েবসাইট, অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সি কিংবা হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করে টিকিট কাটা যাবে। ভ্রমণের শিডিউল ঠিক থাকলে যাওয়া ও ফেরার উভয় টিকিট একসঙ্গে সংগ্রহ করা নিরাপদ।
৪. আসন ও ভাড়া কাঠামো
জাহাজে সাধারণ আসন, বিজনেস ক্লাস, মোজার্ট চেয়ার, বেড ও কেবিনভেদে রাউন্ড-ট্রিপ (যাওয়া-আসা) ভাড়া শ্রেণিভেদে ৩,৬০০ টাকা থেকে ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে।
৫. ট্রাভেল পাস ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া
সেন্ট মার্টিনে প্রবেশের ক্ষেত্রে ট্রাভেল পাস থাকা বাধ্যতামূলক। তবে যাত্রীদের আলাদা কোনো পোর্টালে
নিবন্ধন করতে হবে না; জাহাজের টিকিট বুকিং সম্পন্ন হলেই পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট যাত্রী তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ট্রাভেল পাস সমন্বয়ের কাজ সম্পন্ন করবে।
৬. আবাসন ও হোটেল বুকিং
দ্বীপে ২৩০টির বেশি অনুমোদিত হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। দ্বীপে পৌঁছে অনাকাঙ্ক্ষিত বিড়ম্বনা এড়াতে জাহাজের টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পরপরই অগ্রিম আবাসন নিশ্চিত করার নির্দেশনা রয়েছে।
৭. রিসোর্ট ভাড়ার হার
মানভেদে সেন্ট মার্টিনে রাত্রিযাপনের খরচ নির্ধারিত হয়:
৮. যাত্রার স্থান ও সময়সূচি
যাত্রীদের দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে কক্সবাজার শহরে পৌঁছাতে হবে। সেখান থেকে শহরের নুনিয়াছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে সকালের নির্ধারিত শিডিউলে জাহাজ সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা করবে এবং বিকেলে দ্বীপ থেকে ফেরত আসবে।
৯. আইনি ও পরিবেশগত বিধিনিষেধ
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রশাসন কিছু কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে:
১০. প্রধান জাহাজগুলোর দাপ্তরিক যোগাযোগ