1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
সুপ্রিম কোর্টের মামলায় ‘নোটিশ জালিয়াতি’ ঠেকাতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ৬ নির্দেশনা - আদালত বার্তা
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুপ্রিম কোর্টের মামলায় ‘নোটিশ জালিয়াতি’ ঠেকাতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ৬ নির্দেশনা রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে এসআই ইকবালের আবেগঘন সাক্ষ্য, কাঁদলেন বিচারালয়ের সবাই বাঁধা-নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও জনসমুদ্রে শেষ বিদায়: ভোলার বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদকে ঘিরে আবেগঘন দৃশ্য বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ আর নেই জঙ্গল সলিমপুরে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের রক্তচক্ষু যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ, সরকারি স্থাপনা ভাঙচুর, পাহাড় কেটে রাস্তা বিচ্ছিন্ন, বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা, ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০০/৩০০ সন্ত্রাসী আসামী। বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু, উড়ে গেছে শরীর সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির অগ্রগতি আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি অদৃশ্য এক অন্ধকার জালও বিস্তার করেছে। ১৯ বছরে বিচার: শাজনীন হত্যা মামলায় ৬ আসামির মধ্যে ফাঁসি কার্যকর মাত্র ১ জনের আসামী পক্ষে আইনজীবী ছাড়া বাংলাদেশের আইনে বর্ণিত সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা যায় না। সাইবার সুরক্ষা আইনে মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয় সংগীত অবমাননাকারীদের দায়মুক্তি

সুপ্রিম কোর্টের মামলায় ‘নোটিশ জালিয়াতি’ ঠেকাতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ৬ নির্দেশনা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

সুপ্রিম কোর্টের মামলায় ‘নোটিশ জালিয়াতি’ ঠেকাতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ৬ নির্দেশনা
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ৩ জুন ২০২৬
সুপ্রিম কোর্টের মামলায় ‘নোটিস জালিয়াতি’ রোধে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস ছয়টি নতুন নির্দেশনা দিয়েছে, যা ১৪ জুন থেকে কার্যকর হবে।
মঙ্গলবার (২ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নোটিস জালিয়াতির বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।
মঙ্গলবার অবকাশকালীন এনেক্স ভবনের ১৪ নম্বর কোর্টে বেশ কয়েকটি মামলার মূল আবেদনের টেন্ডার নম্বরের সঙ্গে নোটিসে দেওয়া টেন্ডার নম্বরের ‘গরমিল’ পাওয়া যায়।
অনৈতিক সুবিধা নিতে এ ‘জালিয়াতির’ বিষয়টি ধরা পড়লে আদালত ওই দিনের কার্যতালিকা থেকে ১৬টি আইটেম বাদ দেয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়েছে।
এছাড়া মামলার মূল আবেদনে শনাক্তকারী আইনজীবী এবং নোটিসে স্বাক্ষরকারী আইনজীবীর মধ্যে ভিন্নতাও লক্ষ্য করা গেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
“কতিপয় ব্যক্তির এমন অনৈতিক কাজের কারণে আইনজীবী ও বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে।”
নির্দেশনায় বলা হয়, মামলার মূল আবেদনে শনাক্তকারী ও নোটিসে স্বাক্ষরকারী আইনজীবী একই ব্যক্তি হতে হবে। মামলার এফিডেভিট করার সাত দিনের মধ্যে নোটিস জারি করতে হবে এবং জমা দেওয়া নোটিসে টেন্ডার নম্বর অবশ্যই টাইপ করা থাকতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, এফিডেভিট শেষে মূল আবেদনপত্রের (ব্লু কপি) ফটোকপি ও ওকালতনামার উভয় পৃষ্ঠাসহ নোটিস জমা দিতে হবে।
এছাড়া কোনো আদালতে আগে দাখিল করা মামলা নতুন করে অন্য আদালতে তালিকাভুক্ত করতে হলে নতুন নোটিসের সঙ্গে আগের নোটিসের অনুলিপি যুক্ত করার বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে নির্দেশনায়।
নির্দেশনাগুলো আইনজীবীদের জানাতে এর মধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক বরাবর বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট