রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
Title :
সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে ফের গ্যাস সরবরাহ দেশীয় পর্যটনে ব্যয় বেশি, বাড়ছে বিদেশ ভ্রমণের আগ্রহ পর্যটন খাতে বৈদেশিক মুদ্রার চাপ, পিছিয়ে পড়ছে দেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটন অর্থনীতির নেপথ্য কারিগর: শ্রমের মর্যাদা, ন্যায্য অধিকার এবং টেকসই জাতীয় উন্নয়নের দাবি। ‘দেশে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর’ : আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বাংলাদেশে অনুশীলনরত আইনজীবীদের ৫ স্তরের পদমর্যাদাক্রম: আইনি কাঠামো, যোগ্যতা ও শুনানির অধিকার কারাগারগুলোতে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা জোরদারে সাত দফা নির্দেশনা: কারা অধিদপ্তরের কঠোর পদক্ষেপ আজ বিশ্ব ‘আইনজীবীকে ভালোবাসার দিন’: অধিকার ও ন্যায়বিচার সুরক্ষার স্বীকৃতি ছেলেকে চিকিৎসক বানাতে এসে লাশ নিয়ে ফিরছেন মা: কুমিল্লায় কাশ্মীরি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু শর্টকাট পথে অর্থ উপার্জনের মানসিকতা নিয়ে দক্ষ আইনজীবী হওয়া অসম্ভব: আইনমন্ত্রী আদালত চত্বরে বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংকট: আইনি সীমানা, আদালত অবমাননা ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতা

৬ শর্তে টিআইএন বাতিল করা যাবে

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩
  • ৭৬৭ বার পড়া হয়েছে

৬ শর্তে টিআইএন বাতিল করা যাবে
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা :২৪জুন ২০২৩।
এখন থেকে করদাতারা তাঁদের কর নিবন্ধন বাতিল করতে পারবেন। করদাতাদের কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) কিছু শর্ত সাপেক্ষে বাতিলের সুযোগ রাখা হয়েছে নতুন আয়কর আইনে। এ জন্য করদাতাকে যথাযথ কারণ দেখিয়ে আবেদন করতে হবে। সম্প্রতি নতুন এ আইন সংসদে পাস হয়েছে।

তবে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে কোনো বকেয়া কর নেই, এমন বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে এবং আবেদনকারীর কারণগুলো যৌক্তিকভাবে যাচাই–বাছাইয়ের পরই টিআইএন বাতিল করবেন কর কর্মকর্তারা। আগের আয়কর অধ্যাদেশে টিআইএন বাতিলের কোনো সুযোগ ছিল না। ফলে অনেকেই টিআইএন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।

যে ছয় শর্তে কর নিবন্ধন বাতিলের আবেদন করা যাবে, সেগুলো হলো:
১. যেসব করদাতার রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা নেই;
২. মৃত্যু, অবসায়ন, অবলুপ্তি বা অনুরূপ কোনো কারণে অস্তিত্বহীন হয়ে যান;
৩. স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ত্যাগ করলে এবং বাংলাদেশে আয় করার কোনো কর্মকাণ্ড না থাকলে;
৪. ডুপ্লিকেট নিবন্ধন বা ভুল নিবন্ধন পেলে;
৫. আইনি মর্যাদা পরিবর্তন করলে এবং
৬. অন্য কোনো আইনানুগ কারণে।

  1. কর নিবন্ধন বাতিলে আগ্রহী করদাতাদের নিজ নিজ কর অঞ্চলে আবেদন করতে হবে। করদাতার কাছ থেকে আবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তা চারটি বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে টিআইএন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেবেন। ওই চার বিষয় হলো: ওই করদাতার কাছে কোনো বকেয়া দায় নেই; করদাতার বিরুদ্ধে কোনো কর নির্ধারণ নিয়ে মামলা নিষ্পন্নাধীন নেই; যেকোনো ফোরামে আয়করসংক্রান্ত কোনো বিরোধ নিষ্পন্নাধীন নেই এবং করদাতা আবেদনপত্রে নিবন্ধন বাতিলের যে কারণ দেখিয়েছেন, তার সত্যতা আছে।তবে নিবন্ধন বাতিল করলেও সব তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। বর্তমানে ৮৭ লাখ টিআইএনধারী থাকলেও মাত্র তিন ভাগের এক ভাগ করদাতা নিয়মিত রিটার্ন জমা দেন।
আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট