1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
নারী আইনজীবীকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যার  দায়ে ২ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড। - আদালত বার্তা
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাঁধা-নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও জনসমুদ্রে শেষ বিদায়: ভোলার বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদকে ঘিরে আবেগঘন দৃশ্য বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ আর নেই জঙ্গল সলিমপুরে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের রক্তচক্ষু যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ, সরকারি স্থাপনা ভাঙচুর, পাহাড় কেটে রাস্তা বিচ্ছিন্ন, বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা, ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০০/৩০০ সন্ত্রাসী আসামী। বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু, উড়ে গেছে শরীর সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির অগ্রগতি আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি অদৃশ্য এক অন্ধকার জালও বিস্তার করেছে। ১৯ বছরে বিচার: শাজনীন হত্যা মামলায় ৬ আসামির মধ্যে ফাঁসি কার্যকর মাত্র ১ জনের আসামী পক্ষে আইনজীবী ছাড়া বাংলাদেশের আইনে বর্ণিত সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা যায় না। সাইবার সুরক্ষা আইনে মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয় সংগীত অবমাননাকারীদের দায়মুক্তি কুর্মিটোলা হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে প্রজ্ঞাপন জারি রেকর্ড অব রাইট (খতিয়ান) ও মালিকানা স্বত্ব: হাই কোর্টের যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত

নারী আইনজীবীকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যার  দায়ে ২ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জুন, ২০২৩
  • ৩৩২ বার পড়া হয়েছে

নারী আইনজীবীকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যার  দায়ে ২ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড
নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তা :১১জুন ২০২৩।
প্রায় এক যুগ আগে রওশন আরা আক্তার নামে এক নারী আইনজীবীকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যার দায়ে দুই আসামির আমৃত্যু যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রাসেল জমদ্দার ওরফে শাকিল ও সোলাইমান রবিন ওরফে তাজুল।

রোববার (১১ জুন) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক এম আলী আহমেদ আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের স্টেনোগ্রাফার তানভীর হাসান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর আসামিরা চুরির করতে আইনজীবী রওশন আরা আক্তারের বাসায় যায়। এরপর তারা তাকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ঘটনার পরদিন ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি তার স্বামী মাহবুব-ই সাত্তার বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ১৮ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। ২০১৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি আদালত অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলার বিচার চলাকালীন মোট ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট