1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
সাবেক ইসি সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ নতুন মামলায় গ্রেপ্তার - আদালত বার্তা
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৩:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ আর নেই জঙ্গল সলিমপুরে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের রক্তচক্ষু যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ, সরকারি স্থাপনা ভাঙচুর, পাহাড় কেটে রাস্তা বিচ্ছিন্ন, বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা, ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০০/৩০০ সন্ত্রাসী আসামী। বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু, উড়ে গেছে শরীর সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির অগ্রগতি আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি অদৃশ্য এক অন্ধকার জালও বিস্তার করেছে। ১৯ বছরে বিচার: শাজনীন হত্যা মামলায় ৬ আসামির মধ্যে ফাঁসি কার্যকর মাত্র ১ জনের আসামী পক্ষে আইনজীবী ছাড়া বাংলাদেশের আইনে বর্ণিত সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা যায় না। সাইবার সুরক্ষা আইনে মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয় সংগীত অবমাননাকারীদের দায়মুক্তি কুর্মিটোলা হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে প্রজ্ঞাপন জারি রেকর্ড অব রাইট (খতিয়ান) ও মালিকানা স্বত্ব: হাই কোর্টের যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত মেট্রো রেলের ভাড়ায় ২৫% ছাড়ের সিদ্ধান্ত, পাবেন যারা

সাবেক ইসি সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ নতুন মামলায় গ্রেপ্তার

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩০৭ বার পড়া হয়েছে

সাবেক ইসি সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ নতুন মামলায় গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক আদালত বার্তাঃ ১৮ আগস্ট ২০২৫

সাবেক নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদকে শেরে বাংলা নগর থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম এই আদেশ দেন। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে হাজির করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

মামলা দায়ের করেছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. সালাহ উদ্দিন খান। অভিযোগ, দশম থেকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রভাব খাটিয়ে প্রহসনের নির্বাচন পরিচালনার চেষ্টা করা হয়েছে। এতে তিনজন সিইসি—কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, নুরুল হুদা ও কাজী হাবিবুল আউয়াল—সহ মোট ২৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। ২২ জুন মামলা দায়েরের পর ২৫ জুন নতুন করে রাষ্ট্রদ্রোহ, প্রতারণা ও অর্থআত্মসাতের ধারা যুক্ত করা হয়।

মামলার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই তিন নির্বাচনে ‘‘গায়েবি মামলা, অপহরণ, গুম খুন ও নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের গণগ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হয়েছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান থাকলেও সংবিধান লঙ্ঘন, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন, সরকারি কর্মচারী হয়ে অবৈধভাবে ভোটে হস্তক্ষেপ, ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোট সম্পন্ন করা এবং জনগণের ভোট না পেলেও মিথ্যাভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।’’

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সাক্ষী হিসেবে ভোটকেন্দ্র এলাকার ভোটার, ভোটগ্রহণে বঞ্চিত ব্যক্তিরা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বে থাকা সদস্যরা, প্রিজাইডিং অফিসার ও পুলিংশ অফিসারসহ স্থানীয় আরও অনেকে থাকবেন। এছাড়া ব্যালট পেপারের সিল ও স্বাক্ষরের যাচাই প্রমাণের মাধ্যমে ভোটের প্রকৃত অবস্থা উন্মোচিত হবে

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট