বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
Title :
আদালত ভবনের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণে জোর, দ্রুত অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশনা নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা, ৮ জুলাই ২০২৬ দেশব্যাপী বিচারিক কার্যক্রমের ক্রমবর্ধমান চাপ মোকাবিলায় বিদ্যমান আদালত ভবনের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ এবং পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ৮ জুলাই এ লক্ষ্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ পরিকল্পনা ইউনিট এর আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান স্বাক্ষরিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক পত্র মাধ্যমে দায়রা জাজ ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের কে নিজ নিজ এলাকার আদালত ভবনের ধারণ ক্ষমতা মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় সম্প্রসারণ পরিকল্পনা প্রদানের জন্য আবেদন করা হয়েছে। দাপ্তরিক পত্রের মাধ্যমে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশে প্রায় ৩৭৬টি নতুন আদালত ও বিশেষায়িত ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। তবে বিদ্যমান অবকাঠামোতে স্থান সংকুলান না হওয়ায় এসব আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হচ্ছে। ফলে বিচারপ্রার্থী জনগণের সেবাদানে বিঘ্ন ঘটছে এবং প্রশাসনিক চাপ বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে নতুন আদালত ভবন নির্মাণের দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি সমাধান হিসেবে বিদ্যমান আদালত ভবনগুলোতে উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ (vertical expansion) অথবা পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে অতিরিক্ত এজলাস ও বিচারকদের জন্য প্রয়োজনীয় খাসকক্ষ তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দাপ্তরিক পত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট জেলা ও দায়রা জজ এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের নিজ নিজ এলাকার আদালত ভবনের ধারণক্ষমতা মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় সম্প্রসারণ পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব গণপূর্ত বিভাগ দ্বারা প্রস্তুত করে জরুরি ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা ইউনিটে পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রস্তাবগুলো দ্রুত প্রেরণের জন্য ইমেইল মাধ্যমও ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিচারিক অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি মামলার জট কমাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে বিচারপ্রার্থীদের জন্য আরও কার্যকর ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সরকারের এই পদক্ষেপকে বিচার ব্যবস্থার আধুনিকায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করে আবারও সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখালো আদালত মামলার ডকেট সংরক্ষণে নতুন নীতিমালা: কোর্ট পুলিশের হাতে যাচ্ছে দায়িত্ব বিচার বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি ও বর্তমান প্রেক্ষাপটে করদাতাদের সতর্ক করে এনবিআরের চার নির্দেশনা  সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন গণঅভ্যুত্থান: আসামি পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা চেয়ে রিট আবেদন পরীক্ষা নাকি অগ্নিপরীক্ষা—এইচএসসি প্রশ্নপত্রে বিতর্ক বরিশালে সংক্ষিপ্ত বিচারে বাড়ছে জনআস্থা: মাত্র ১ মাসে ১৬৭ মামলায় ৪৫৭ অপরাধীর কারাদণ্ড। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পুনরুত্থান: প্রতিবাদের ভাষায় নতুন জাগরণ

বান্দরবানে কি কি আছে?

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৫৫৫ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানে কি কি আছে?
 এডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক, আদালত বার্তাঃ১৫ নভেম্বর ২০২৪।

বান্দরবানে কি কি আছে? — পর্যটকদের জন্য বিশেষ গাইড
বান্দরবান
বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা বান্দরবান প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহ্য, এবং বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত। এটি ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য একটি বিশেষ আকর্ষণ, কারণ এখানে পাহাড়, ঝর্ণা, নদী এবং আদিবাসী সংস্কৃতির একটি মেলবন্ধন দেখা যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক, বান্দরবানে কি কি দেখার মতো জায়গা আছে।
১. নীলগিরি
নীলগিরি বাংলাদেশের অন্যতম উচ্চতম পর্যটনকেন্দ্র। প্রায় ২,২০০ ফুট উচ্চতার এই স্থানটি পাহাড়ি দৃশ্যের জন্য বিখ্যাত। এখানে মেঘ ও পাহাড়ের মিতালি পর্যটকদের মুগ্ধ করে।

২. নীলাচল
বান্দরবান শহরের কাছাকাছি অবস্থিত নীলাচল থেকে পুরো বান্দরবান শহর ও আশপাশের এলাকা দেখা যায়। বর্ষার সময় এখানে মেঘের খেলা দেখতে পর্যটকদের ভিড় জমে।

৩. বগালেক
বগালেক একটি প্রাকৃতিক হ্রদ, যা বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত। এটি প্রায় ১,২০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এবং স্থানীয়দের মতে এটি একটি আগ্নেয়গিরির ফাটল থেকে তৈরি হয়েছে। হ্রদের চারপাশে পাহাড়ে ঘেরা এই জায়গাটি শান্তি ও সৌন্দর্যের এক অসাধারণ মেলবন্ধন।

৪. রিজুক ঝর্ণা
রিজুক ঝর্ণা, যা রিজুক ফলস নামেও পরিচিত, বান্দরবানের রুমা উপজেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক ঝর্ণাগুলোর একটি। এখানকার ঠান্ডা পানির ছোঁয়ায় পর্যটকরা স্নিগ্ধতা অনুভব করেন।

৫. মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স
শহরের খুব কাছেই মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স অবস্থিত। এখানে কৃত্রিম হ্রদ, পাহাড়, চিড়িয়াখানা এবং বোটিং সুবিধা রয়েছে, যা পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
৬. স্বর্ণ মন্দির
স্বর্ণ মন্দির (বুদ্ধ ধাতু জাদি) বান্দরবানের অন্যতম দর্শনীয় স্থান। এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ মন্দির এবং এখানকার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি পবিত্র স্থান।

৭. তাজিংডং
তাজিংডং, যা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত হিসেবে পরিচিত, পর্বতারোহণ এবং ট্রেকিংপ্রেমীদের জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান।

৮. কেওক্রাডং
কেওক্রাডং পাহাড়টি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চূড়া। এটি প্রায় ৩,১৭২ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এবং ট্রেকিংয়ের জন্য উপযুক্ত একটি জায়গা।

৯. আদিবাসী গ্রাম পরিদর্শন
সেখানে ম্রো, ত্রিপুরা, চাকমা, মারমা ইত্যাদি আদিবাসী সম্প্রদায়ের বসবাস। তাদের সংস্কৃতি, জীবনযাত্রা, পোশাক, খাবার এবং ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হতে আদিবাসী গ্রামগুলোতে ঘুরে আসা একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা হতে পারে।

১০. সাঙ্গু নদী
সাঙ্গু নদীও একটি দর্শনীয় স্থান। এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি নদী, যেখানে নৌকায় ভ্রমণ করা যায়। নদীর তীর ধরে যাওয়ার সময় পার্শ্ববর্তী পাহাড় ও ঝর্ণার দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
প্রকৃতিপ্রেমী, ফটোগ্রাফার, এবং সংস্কৃতিমনাদের জন্য একটি আদর্শ স্থান।

আরো সংবাদ পড়ুন

আদালত ভবনের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণে জোর, দ্রুত অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দেশনা নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা, ৮ জুলাই ২০২৬ দেশব্যাপী বিচারিক কার্যক্রমের ক্রমবর্ধমান চাপ মোকাবিলায় বিদ্যমান আদালত ভবনের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ এবং পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ৮ জুলাই এ লক্ষ্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ পরিকল্পনা ইউনিট এর আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান স্বাক্ষরিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক পত্র মাধ্যমে দায়রা জাজ ও চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের কে নিজ নিজ এলাকার আদালত ভবনের ধারণ ক্ষমতা মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় সম্প্রসারণ পরিকল্পনা প্রদানের জন্য আবেদন করা হয়েছে। দাপ্তরিক পত্রের মাধ্যমে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশে প্রায় ৩৭৬টি নতুন আদালত ও বিশেষায়িত ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। তবে বিদ্যমান অবকাঠামোতে স্থান সংকুলান না হওয়ায় এসব আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হচ্ছে। ফলে বিচারপ্রার্থী জনগণের সেবাদানে বিঘ্ন ঘটছে এবং প্রশাসনিক চাপ বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে নতুন আদালত ভবন নির্মাণের দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি সমাধান হিসেবে বিদ্যমান আদালত ভবনগুলোতে উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ (vertical expansion) অথবা পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে অতিরিক্ত এজলাস ও বিচারকদের জন্য প্রয়োজনীয় খাসকক্ষ তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দাপ্তরিক পত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট জেলা ও দায়রা জজ এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের নিজ নিজ এলাকার আদালত ভবনের ধারণক্ষমতা মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় সম্প্রসারণ পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব গণপূর্ত বিভাগ দ্বারা প্রস্তুত করে জরুরি ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা ইউনিটে পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রস্তাবগুলো দ্রুত প্রেরণের জন্য ইমেইল মাধ্যমও ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিচারিক অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি মামলার জট কমাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে বিচারপ্রার্থীদের জন্য আরও কার্যকর ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সরকারের এই পদক্ষেপকে বিচার ব্যবস্থার আধুনিকায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews