1. multicare.net@gmail.com : আদালত বার্তা :
শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় কাল - আদালত বার্তা
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে কাল শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় কাল কোটা রায়ের দুই বছর: একটি বিচারিক সিদ্ধান্ত থেকে রাজনৈতিক পতনের পথে ফৌজদারি আইনচর্চায় নবীন আইনজীবীদের দক্ষতা অর্জন: করণীয় ও পেশাগত দিকনির্দেশনা বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ: জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় টেকসই উদ্যোগের আহ্বান। দুর্নীতি উন্নয়নের পথে  অন্তরায় রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে সুপ্রিম কোর্টের মামলায় ‘নোটিশ জালিয়াতি’ ঠেকাতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের ৬ নির্দেশনা রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে এসআই ইকবালের আবেগঘন সাক্ষ্য, কাঁদলেন বিচারালয়ের সবাই বাঁধা-নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও জনসমুদ্রে শেষ বিদায়: ভোলার বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদকে ঘিরে আবেগঘন দৃশ্য

শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় কাল

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় কাল
নিজস্ব প্রতিবেদক,আদালত বার্তাঃ    ৬ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবী এলাকায় শিশু রামিসা আক্তার (৮) হত্যার ঘটনায় দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলার রায় রোববার ৭ জুন ঘোষণা করা হবে। ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে এ রায় প্রদান করবেন বিচারক মাসরুর সালেকীন। মামলাটিকে কেন্দ্র করে আইনজীবী, ভুক্তভোগী পরিবার এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আগ্রহ তৈরি হয়েছে।  রাষ্ট্রপক্ষ আশা করছে, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।
শনিবার (৬ জুন) রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ভিকটিম রামিসাকে হত্যার অভিযোগ প্রমাণ করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। ট্রাইব্যুনাল স্বীয় বিবেচনায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, পল্লবীর একটি আবাসিক এলাকায় বসবাস করত দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার। গত ১৯ মে সকালে সে বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় স্বপ্না আক্তার কৌশলে শিশুটিকে নিজের কক্ষে নিয়ে যান।
এর কিছুক্ষণ পর থেকেই রামিসাকে খুঁজে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতির সময় তাকে খুঁজতে শুরু করেন তার মা।
এক পর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা আসামিদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান, যা সন্দেহ আরও বাড়িয়ে দেয়।
দরজায় বারবার ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে পরে ভবনের অন্যান্য বাসিন্দাদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। সেখানে শিশুটির খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা।
এ দৃশ্য দেখে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দেওয়া হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্না আক্তারকে হেফাজতে নেয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার পর ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়।
পরবর্তীতে তদন্ত দ্রুত এগিয়ে নেয় পুলিশ। তদন্ত শেষে ২৪ মে তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
একই দিনে আদালত চার্জশিট গ্রহণ করেন এবং মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।
ট্রাইব্যুনাল ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করে। মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণ করা হয়।
বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করে, উপস্থাপিত সাক্ষ্য ও প্রমাণ আসামিদের অপরাধ প্রমাণে যথেষ্ট।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট