সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
Title :
রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিলের রিট খারিজ করলেন হাইকোর্ট দিল্লিতে আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্টদের সেমিনারের অনুমতি দেয়নি পুলিশ বেইমান কখনো বন্ধু হয় না—বিশ্বাস ভাঙার শব্দ শোনা যায় না, কিন্তু তার ক্ষত সবচেয়ে গভীর আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ দীর্ঘ বিচারিক অভিজ্ঞতার নতুন অধ্যায় বিচার প্রশাসনে ধীরগতি: মামলার পাহাড়, বিচারক সংকট, শূন্য পদ পূরণে স্থবিরতা সম্পত্তি দানে দাতার আজীবন ভোগাধিকার নিশ্চিতে সংসদে নতুন বিল উত্থাপন এআই দিয়ে রায় লেখা অনুচিত—প্রধান বিচারপতির সতর্কবার্তা বিচারকের বিবেক, স্বাধীন বিচারিক মনন ও আইনের শাসন রক্ষায় প্রযুক্তির সীমারেখা জরুরি ঢাকাসহ সারাদেশে অভিযানে নামছে পুলিশের নতুন ‘স্পেশাল’ ইউনিট সাবধান! আপনার মোবাইলে এই ৩১টি লোন অ্যাপ নেই তো? অবৈধ ঋণ কার্যক্রম নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের জরুরি সতর্কবার্তা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাচ্ছে শিগগিরই, বছরে সাশ্রয় হবে ১০০ কোটি ডলার

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিলের রিট খারিজ করলেন হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিলের রিট খারিজ করলেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক, আদালত বার্তা,ঢাকা, ৩১ আগস্ট ২০২৬

​দণ্ডবিধির ১২৪(ক) ধারা বা রাষ্ট্রদ্রোহ আইনকে সংবিধানবিরোধী ও বাতিলযোগ্য ঘোষণা চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

​আদালতে রিট আবেদনটির পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। রিট খারিজ হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে তারা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করবেন।

​এর আগে দণ্ডবিধির ১২৪(ক) ধারা বা রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন তিনি।

​বিতর্কিত এই আইনে বলা হয়েছে— কোনো ব্যক্তি যদি লিখিত বা উচ্চারিত কথা, উক্তি, চিহ্নাদি বা দৃশ্যমান কোনো প্রতীকের সহায়তায় অথবা অন্য কোনোভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে বৈধভাবে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে, অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে ওই ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এর সাথে অর্থদণ্ডও যোগ করা যাবে।

​রিট আবেদনে বলা হয়েছিল, এই রাষ্ট্রদ্রোহ আইনের মাধ্যমে নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারের বিরুদ্ধে মতপ্রকাশের অধিকার প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে।

​রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রদ্রোহিতার এই আইনটি মূলত ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলের একটি আইন। সে সময়কার স্বাধীনতা আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে এটি প্রণীত হয়েছিল, যা বর্তমান স্বাধীন দেশের একটি গণতান্ত্রিক সংবিধানের সঙ্গে পুরোপুরি অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট